০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:০৫

নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিল ইনকিলাব মঞ্চ

ইনকিলাব মঞ্চ  © সংগৃহীত

চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নিয়ে বার্তা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৯ মিনিটে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেওয়া হয়েছে।

পোস্টে বলা হয়, ‘নির্বাচন ১২ তারিখেই (১২ ফেব্রুয়ারি) হবে। নির্বাচন হতেই হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেওয়া হবে না।’ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তারা শুধু হাদি হত্যার বিচার চান, এর সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচন ভন্ডুলের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।

এদিকে ৯টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনেও ইনকিলাব মঞ্চ নেতা আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, শত সমস্যা থাকলেও নির্বাচন হতে হবে। আমরা এক ভাইকে হারিয়েছি, আর কোনো ভাইকে হারাতে চাই না। ১২ তারিখে নির্বাচন হতেই হবে। নির্বাচনের পর যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তারা যদি এই বিষয়ে সুষ্ঠু পদক্ষেপ না নেয়, তবে এর পরিণতি ভালো হবে না।

এদিকে জুলাইযোদ্ধা ও তরুণ রাজনীতিবিদ শহিদ ওসমান হত্যার বিচার দাবিতে রাজধানীর উত্তপ্ত হয়ে উঠে শাহবাগ মোড়। রণক্ষেত্র হয়ে উঠে পুরো এলাকা।  আন্দোলন চলাকালীন বড় একটি অংশ কাটাবন মোড়ের দিকে অবস্থান নিয়েছে। বাকি দুটো অংশ মৎসভবন-ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিউটের সামনে এবং পুলিশ টেনিস ফেডারেশনের সামনে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনিকে পুলিশের বেধড়ক মারধর করার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শাহবাগ মোড়ে অবস্থানের একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে মুহূর্মুহু সাউন্ড গ্রেনেড ছোঁড়ে। এ সময় আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থার সৃষ্টি হয়। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারপ্রধানের বাসভবন যমুনা এলাকায় জড়ো হয়ে হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।