০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:৫২

নির্বাচন থেকে সরে গেলেন কুমিল্লার এক প্রার্থী

জাতীয় সংসদ ভবন ও জাতীয় নির্বাচনের লোগো  © টিডিসি সম্পাদিত

দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাকি আর মাত্র ৬দিন। এই মুহূর্তে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন গণঅধিকার কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) সংসদীয় আসনের প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান।

গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মুরাদনগর উপজেলা গণঅধিকার  পরিষদের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা মজিবুল হক, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন, সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদ উদ্দিন শহীদ, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব সরকার, উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. কামাল, সাধারণ সম্পাদক রশিদ রানা, অর্থ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, কার্যকরী সদস্য জহিরসহ ছাত্র, যুব ও গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ, ছাত্র-যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদের সব নেতাকর্মীকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশে দুঃশাসন, ভোটাধিকার হরণ ও গণতন্ত্রের সংকট চলছে। জনগণের ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত হওয়ার এই বাস্তবতায় কেন্দ্রীয় জোট ও স্থানীয় সমঝোতার ভিত্তিতে মুরাদনগর উপজেলায় গণঅধিকার পরিষদ ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পারস্পরিক আলোচনা ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক উপলব্ধির মাধ্যমে জোটবদ্ধভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, এই ঐক্য কোনো সাময়িক কৌশল নয়, এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দায়বদ্ধতা থেকে জন্ম নেওয়া একটি ঐক্য। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অন্যায়-দুর্নীতি ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মুরাদনগরের মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটানোই এই জোটের মূল লক্ষ্য।

এছাড়াও তিনি একটি জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব রাজনৈতিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমরা বিশ্বাস করি বিভক্তি নয়, ঐক্যই জনগণের শক্তি। এই ঐক্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, এটি মুরাদনগরের মানুষ, দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রের পক্ষে নেওয়া একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।