৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৪৫

শেরপুরে সেই জামায়াত নেতা হত্যার ঘটনায় মামলা

হামলায় নিহত মাওলানা রেজাউল করিম ও দলের লোগো  © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ২৩৪ জনকে নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এতে মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩৪ জন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ঝিনাইগাতী থানায় এ মামলা দায়ের করেন নিহত রেজাউল করিমের স্ত্রী মার্জিয়া। আর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, গত ২৮ জানুয়ারি ঝিনাইগাতী উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের সময় মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথমে বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা দফায় দফায় সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের পিটুনীতে গুরুতর আহত হন শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

জেলা আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।