লালমনিরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ২০
নির্বাচনি প্রচারণা ও গণসংযোগকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত একে অপরকে দায়ী করেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান। অন্যদিকে একই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু। রবিবার বিকেলে ওই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের গণসংযোগ চলাকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা একপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু বলেন, এখন পর্যন্ত সেখানে কী বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে আমি জানি না। কতজন আহত সেটাও বলতে পারব না। আপনারা একটু সেখানে খোঁজ নেন, সেখান থেকেই তথ্য সংগ্রহ করুন। অন্যদিকে, সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের প্রচারণার সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যেহেতু নির্বাচন আচরণবিধির মধ্যে এটি পড়ে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।এদিকে বিএনপি জামায়াত সংঘর্ষ উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌছেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচ এম রকিব হায়দার, জেলা পুলিশ সুপার সহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা। পুলিশের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান নিয়েছে র্যাব, বিজিবি।