২৯ মার্চ ২০২৬, ১৭:৫৩

১৯তম নিবন্ধন: শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু মঙ্গলবার

এনটিআরসিএ  © ফাইল ছবি

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। আগামী মঙ্গলবার থেকে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে বলে জানা গেছে।

রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ১৯তম নিবন্ধনের জন্য শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ আগামী মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে। আজ রবিবার ই-রিকুইজিশনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে।

ই-রিকুইজিশনের কার্যক্রম কতদিন চলবে এমন প্রশ্নের জবাবে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘আগামীকাল রবিবার থেকে ই-রিকুইজিশন শুরু হয়ে চলবে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে পরবর্তীতে এ সময়সীমা বৃদ্ধি করা হতে পারে।’

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। প্রথম দফায় ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ই-রেজিস্ট্রেশনের সময় দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তা গত ১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। ই-রেজিস্ট্রেশন শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে ই-রিকুইজিশনের কার্যক্রম শুরু করছিল না এনটিআরসিএ। অবশেষে আগামীকাল সোমবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে।

নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে যেসব পরিবর্তন আসছে
নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি তিন বিভাগের জন্যই ২০০ নম্বরের পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও স্কুল-কলেজে এবং কারিগরিতে ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ১০০ নম্বর জেনারেল এবং মাদ্রাসারা জন্য ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ৬০ নম্বর জেনারেল করা প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে এভাবে বিভাজন করলে বৈষম্য তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য তিন বিভাগের জন্য নম্বর প্যাটার্ন একই রকম রাখার চিন্তা করা হচ্ছে।

সূত্র বলছে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনায় অনেকে অনেক ধরনের প্রস্তাব করেছেন। স্কুল-কলেজে এবং কারিগরির জন্য একরকম। আবার মাদ্রাসার জন্য আরেকরকম। তিন বিভাগের জন্য পৃথক পদ্ধতি করা হলে এক প্রকার বৈষম্য করা হবে। সেজন্য আমরা তিন বিভাগের জন্য একই রকম পরীক্ষা পদ্ধতি রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। 

জানা গেছে, এর আগে এনটিআরসিএর নিবন্ধন পরীক্ষায় কখনোই প্রার্থীদের ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হয়নি। প্রথমবারের মতো ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হবে। নতুন বিধিমালায় ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হবে। এ ব্যাপারে ইতিবাচক শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে বয়স গণনা করা হবে।