১৩ মার্চ ২০২৬, ১৮:৩৪

জাল সনদে শিক্ষকতা কোহিনূরের—মামলাসহ যেসব সিদ্ধান্ত নিল এনটিআরসিএ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসি)  © সংগৃহীত

শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের এমপিও বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এনটিআরসিএ। অভিযুক্ত শিক্ষিকার নাম কোহিনূর খানম। তিনি ওই বিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক ফিরোজ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কোহিনূর খানম ২০০৭ সালের ৩য় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার একটি সনদ জমা দিয়ে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন। চতুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পাঠানো আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই সনদ যাচাই করে এনটিআরসিএ। যাচাই শেষে দেখা যায়, দাখিলকৃত সনদটি সঠিক নয় এবং এটি সম্পূর্ণ জাল ও ভুয়া।

সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত কোহিনূর খানমের এমপিও স্থায়ীভাবে বাতিল করা, সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের মাধ্যমে তার এ যাবৎ গ্রহণ করা সরকারি অর্থ আদায় করা এবং জালিয়াতি ও প্রতারণার দায়ে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছে এনটিআরসিএ।