প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের নতুন আবেদনের পরীক্ষা কবে, জানালেন চেয়ারম্যান
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগ পরীক্ষা পূর্ব নির্ধারিত তারিখেই আয়োজন করা হতে পারে। পরীক্ষার এ তারিখ পরিবর্তন করতে চায় না পরীক্ষা আয়োজক কমিটি।
কমিটির একটি সূত্র জানিয়েছে, নীতিমালা সংশোধনের পূর্বে দফায় দফায় সভা করে পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। বিজি প্রেসের সঙ্গে প্রশ্নপত্র তৈরি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া পূর্ব নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা না হলে পরবর্তীতে পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ পরীক্ষা পূর্বের তারিখেই অর্থাৎ আগামী ১৮ এপ্রিলই আয়োজন করা হতে পারে। শিগগিরই এ বিষয়ে নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে।’
এদিকে শিক্ষাকতার অভিজ্ঞতা ১৮ বছর করে নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে আগের আবেদন বাতিল করে নতুন করে আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে পরীক্ষা আয়োজক কমিটি। আগামী ১৫ মার্চ থেকে নতুন করে আবেদনগ্রহণ শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
এনটিআরসিএ সূত্র জানিয়েছে, নতুন নীতিমালায় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা বড় পরিবর্তন করায় স্বয়ংক্রীয়ভাবে আগের আবেদন বাতিল হয়ে যাবে। আবেদন বাতিল হলে নতুন করে আবেদন নিতে হবে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এনটিআরসিএ।
সূত্রের তথ্য বলছে, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের নতুন আবেদন গ্রহণ আগামী ১৫ মার্চ থেকে শুরুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। আবেদনগ্রহণ চলবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত। আজ বৃহস্পতিবার পরীক্ষা আয়োজক কমিটির অনুষ্ঠেয় সভায় বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হতে পারে।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামী ১৫ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের আবেদনগ্রহণ চলতে পারে। পরীক্ষা আয়োজক কমিটির সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
এদিকে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের বাতিল হওয়া ৮৬ হাজারের বেশি শিক্ষকের আবেদন ফির ৩৫০ টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে এনটিআরসিএ। কোন প্রক্রিয়ায় অর্থ ফেরত দেওয়া হবে সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটর বিকাশের মাধ্যমে এ অর্থ ফেরত দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আজ (বৃহস্পতিবার) আমরা আলোচনা করব। আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে যেহেতু অভিজ্ঞতা পরিবর্তন হয়েছে, সেহেতু আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আবেদন বাতিল হলে ফি ফেরত দিতে হবে।’