বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করবে জামায়াত
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দিবসটি উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য দেবেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের সিনিয়র প্রচার-সহকারী মুজিবুল আলম পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
তথ্যমতে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে পাল্টে দিতে ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থান ঘটে। কয়েক দিনের জন্য বাংলাদেশ সরকারশূন্য অবস্থায় পড়ে যায়। জনগণ নিমজ্জিত হয় চরম হতাশা ও আতঙ্কে। সেনাপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমান অভ্যুত্থানকারীদেও তৎপরতায় গৃহবন্দি হন। এরপর শঙ্কা ও নৈরাশ্যের দুর্যোগে ৬ নভেম্বর মধ্যরাতের পর বিপ্লবী সৈনিকদের কামানের গোলার গর্জন কুচক্রীদের সব চক্রান্ত ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সকালের উদ্ভাসিত সূর্যালোকে ঢাকার রাজপথে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ট্রাকে সৈনিকরা আকাশের দিকে গুলিবর্ষণ করে তাদের বিজয়ের কথা জানান দিতে থাকেন। সৈনিক ও জনগণ অভূতপূর্ব আনন্দ মিছিলে যোগ দেয়। সেনা ট্যাংকে ফুলের মালা পরিয়ে জনগণ সিপাহি বিপ্লবকে অভিনন্দন জানাতে থাকে। জিয়ার কণ্ঠস্বর ‘আমি জিয়া বলছি’ শুনতে পায় জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতিঘাতী ও রাষ্ট্রঘাতী অপকৌশলের বিরুদ্ধে এক শাণিত চেতনা।