২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:১২

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন: ১৫ কেন্দ্রে ধানের শীষ ১৬৮৮২, দাঁড়িপাল্লা ৬০৭০

নির্বাচন কমিশন  © সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচন শেষ হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা। আজ সকাল ৮ টা থেকে এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। উপ-নির্বাচনটির একটি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৫ কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক ১৬৮৮২ ভোট পেয়েছে। এসব কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছে ৬০৭০ ভোট। অর্থ্যাৎ এসব কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলে ১০৮১২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

প্রার্থীরা হলেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকে মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকে হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

এদিকে বিকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ছোট করে দেখছি না। জাতীয় নির্বাচন যেভাবে গুরুত্ব দিয়ে আমরা সম্পাদন করেছি, একইভাবে স্বচ্ছতার সাথে  এই নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। এই নির্বাচনে কোন অংশেই কম প্রস্তুতি নিয়ে আমরা কিন্তু মাঠে নামিনি।’

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের  ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার কমিশনার ও ইসি সচিব। পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।

সিইসি বলেন, আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। সবকিছু সবার কাছে দৃশ্যমান করতে চাই। কোনো নেতিবাচক খবর আমরা পাইনি। সকাল থেকেই ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসছেন এবং বিভিন্ন বাহিনীর টহলও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তদারকি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।