২৭ মে ২০২৬, ১৩:৩২

‘বাংলাদেশে মন্ত্রিত্ব সোনার পাথরের বাটি, ঘষা দিলেই কুরবানির পশু-ফ্ল্যাট-প্লট-জমি’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী  © সংগৃহীত

নানা ধরনের মন্তব্য করে আলোচনা-সমালোচনায় থাকেন জাতীয় নাগরিক পার্টি তথা এনসিপি নেতা নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এবার সেই মন্তব্যে যোগ হয়েছে মন্ত্রীদের সম্পদ ও তা আয় করার উৎস নিয়ে।  দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস পাঠকদের জন্য বুধবার তার দেওয়া স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

নাসীরুদ্দীন লেখেন, বাংলাদেশে মন্ত্রিত্ব হইলো সোনার পাথরের বাটির মতো। ঘষা দিলেই কুরবানির পশু, ফ্ল্যাট, প্লট, জমি-জমা, স্বর্ণ অলংকার, গাড়ি-বাড়ি, রূপা-মুদ্রা, হীরা-জহরতের ছড়াছড়ি। নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড়। কেউ আবার দেশের মাটিতে জায়গা না পেয়ে বিদেশে গিয়ে বাড়ি ক্রয় করে। তাদের সন্তানদের দিকে তাকাইলে প্রিন্স উইলিয়ামও লজ্জা পায়। জিজ্ঞেস করলে— “আয়ের উৎস কী?”

উত্তর দেয়- আব্বা। সূর্যের দিকে তাকাইলে যেমন চোখ অন্ধকার হয়ে আসে, তেমনি এদের জৌলুস আর চাকচিক্যময় সামগ্রীর দিকে তাকাইলেও চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।
আরব শেখদের মতো বাঘ নিয়ে খেলা না করতে পারলেও বাঘিনী নিয়ে খেলা করে। এদের ছোট ছোট আয়েশি খাঁচায় কত ফুল ঝরে পড়ে! এদের ট্যাবলেট চিবানো দেখলে উৎপাদনকারী আরেকটা নতুন ফ্যাক্টরিতে বিনিয়োগ করার সাহস পায়।

আবার কেউ কেউ মিডিয়া খুলে ভয় দেখায়— “খাইয়া দিমু”, “জেলে ভইরা দিমু”। এদের দুইটা শখের জায়গা আছে— অর্ধেক রাতারাতি খেলা-বিশেষজ্ঞ হইয়া উঠে, আরেক অর্ধেক সংস্কৃতির মান ইজ্জত ডুবিয়ে দেয়। 

এতক্ষণ পড়ে মন খারাপ কইরেন না। শ্রীলঙ্কা আর সাম্প্রতিক নেপালে রাস্তায় রাস্তায় তাদের যেই পরিণতি হয়েছিল, ওই থ্রিলারগুলা নেট দুনিয়ায় একটু দেখলেই মন শান্তি হয়ে যাবে। যেখানেই রাজ-রাজ ভাব আর হাংকি-পাংকি দেখবেন, সেখানেই নেপালের উদাহরণ সেট করে দিবেন।