শিশু ধর্ষণে অভিযুক্তকে ‘আটক’ করতে পুলিশের গুলি, ২ সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ, আহত শতাধিক
চট্টগ্রামে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত যুবককে আটক করার সময় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার পর ফাঁকা গুলি ছুঁড়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ২ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুজন সাংবাদিকও।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকালে নগরের বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের চেয়ারম্যানঘাটা আবু জাফর রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ দুই সাংবাদিক হলেন স্থানীয় অনলাইনভিত্তিক নিউজপোর্টাল চট্টগ্রাম প্রতিদিনের মামুন আবদুল্লাহ ও নোবেল হাসান। সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা গুলিবিদ্ধ হন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেশনের কর্মচারী ৪ বছরের এক শিশুকে দোকানে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছে— এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ডেকোরেশনের কর্মচারীকে আটক করে। কিন্তু থানায় আনার পথে বিক্ষুব্ধরা পুলিশের গাড়ি আটকে দেয়।
বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ জড়িত আসামিকে আটক করে। শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়। আটক করে আসামিকে আনার সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন পথ আটকে দেন। তাদের বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী আসামির বিচার হবে।
দুই সাংবাদিক গুলিবিদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম প্রতিদিনের প্রকাশক আয়ান শর্মা গণমাধ্যমকে বলেন, লাইভ দেয়ার সময় পুলিশের গুলিতে মামুন কোমরে এবং নোবেল হাতে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদেরকে প্রথমে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।