সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন
রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীবাহী দুই লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ- বিআইডব্লিউটিএ প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মিজানুর রহমানের সই করা এক আদেশে তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে—বিআইডব্লিউটিএর প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক সাইফুল ইসলাম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন—নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা নদী বন্দরের নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মাহমুদুল হাসান খানদার এবং ঢাকা নদী বন্দরের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক (মেরিন সেফটি) মারুফ রায়হান।
আদেশে বলা হয়েছে, তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করবে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, উভয় লঞ্চের মাস্টার ও চালকের বক্তব্য নেবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করতে কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেল আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে ঢাকা নদী বন্দরের একটি পন্টুনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পন্টুনে অবস্থানরত ‘এমভি আশা-যাওয়া–৫’ লঞ্চে ট্রলারের মাধ্যমে যাত্রী ওঠানোর সময় সদরঘাট ছেড়ে যাওয়া ‘এমভি জাকির সম্রাট–৩’ লঞ্চটি এসে ধাক্কা দেয়।
এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা নদীতে অনুসন্ধান চালালেও বুধবার রাতে উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।