ডাকসুর কাজ নয়, তবে ঢাবি কর্তৃপক্ষ কাজটা করে দেখাক
ডাকসুর উদ্যোগে শিক্ষকদের মূল্যায়নের যে ওয়েবসাইট তৈরি হয়েছে, সেটি ছাত্রদের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি সম্পূর্ণ অনুচিত এবং অনধিকারচর্চা। বিষয়টি নাকি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও ছিল। ডাকসুর এই উদ্যোগ নিয়ে এখন অনেক আলোচনা হচ্ছে। এক দিক থেকে ভালোই হয়েছে, কারণ বিষয়টি এখন আলোচনায় এসেছে।
আরও পড়ুন: ঢাবির ১০৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ‘শিক্ষক মূল্যায়ন’, রেটিংয়ে কোনো শিক্ষক পাচ্ছেন ৫-এ ৫, কেউ ১-২
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের মূল্যায়নের বিষয়টি আগে সেভাবে আলোচনায় আসেনি। ডাকসু যে চিন্তা থেকেই এটি করুক না কেন, এখন বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন উদ্যোগী হতে পারে। তারা ডাকসুর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই ওয়েবসাইটটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিয়ে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অনাচার সহজে দূর করা সম্ভব। বিশেষ করে যেসব শিক্ষক দিনের পর দিন শ্রেণিকক্ষে না গিয়ে, পরীক্ষার ফলাফল মাসের পর মাস না দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকেন, তাঁদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তবে তাঁরা অনেক 'প্রভাবশালী'। বিশ্ববিদ্যালয়ে অবাধ স্বাধীনতার জায়গা আছে, এই দোহাই দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ ব্যবস্থা নিতে সাহস দেখান না। এখন সময় এসেছে শিক্ষকদের মূল্যায়ন চালু করার। ডাকসু হয়তো কাজটা ঠিক করেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সঠিক কাজটা করে সাহসের পরিচয় দিক।
লেখক: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সাহাবুল হক