আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে ভর্তি শুরু: মির্জা ফখরুল
আগামী বছর (২০২৭) থেকে ঠাকুরগাঁও মেডিকেল কলেজে আনুষ্ঠানিক ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই প্রস্তাবিত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের মূল কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। আজ রবিবার (২ আগস্ট) সকালে ঠাকুরগাঁও ডায়াবেটিক ও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালে নেপালের সহায়তায় আই ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের এই অঞ্চলের সিংহভাগ মানুষ দরিদ্র হওয়ায় অনেকের পক্ষেই চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। এই সাধারণ ও প্রান্তিক মানুষদের দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার নেপাল সরকারের সাথে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে এ ধরনের চক্ষু শিবিরের আয়োজন করেছে, যা এলাকার চক্ষু রোগীদের উন্নত সেবা প্রদানে ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি উপজেলায় কীভাবে এ ধরনের আই ক্যাম্পের পরিধি বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইতিমধ্যেই ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালকে ৬০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
অনুষ্ঠানের গেস্ট অব অনার অ্যাম্বাসি অব নেপাল বাংলাদেশের ডেপুটি চিফ অব মিশন মিস্টার প্রতিক কার্কি তার বক্তব্যে বলেন, নেপালের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক এক ঐতিহাসিক বন্ধনের দৃঢ় সুতোয় বাঁধা। এ সম্পর্ক কেবল নেপাল সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের নয়, বরং এটা বাংলাদেশের জনগণের সাথে নেপালের জনগণ পর্যন্ত বিস্তৃত। এ সম্পর্ক বন্ধুত্বের মৈত্রীর এবং কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতিসহ সকল ক্ষেত্রে পরস্পরের প্রতি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নেপালের এনএনজেএস চেয়ারপারসন প্রফেসর ডক্টর চেট রাজ পান্ট, নেপালের বিরাট নগর আই হসপিটালের চেয়ারম্যান মিস্টার পদ্ম নারায়ন চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ অন্যান্যরা।