২৪ মার্চ ২০২৬, ১৯:৩৪

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) পবিত্র ঈদ-উল ফিতর পরবর্তী ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের শহীদ ডা. মিলন হলে এই আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, রেসিডেন্ট, কর্মকর্তা, নার্সিং অফিসার, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত শিক্ষক, সাড়ে ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্সিং অফিসার, রেসিডেন্ট ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এবং সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কর্মচারীদের সঙ্গে পৃথকভাবে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, সার্জারি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. ইব্রাহীম সিদ্দিক, নার্সিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন খান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ডা. মো. জিললুর রহমান, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে মঙ্গলবার থেকে প্রচলিত নিয়মে বিএমইউর অফিস, বিভাগ ও হাসপাতালের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

এদিকে চলতি বছরের পবিত্র ঈদ-উল ফিতরের জামাত ২১ মার্চ সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। ঈদের দিন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের জন্য উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থাও করা হয়।

অন্যদিকে ঈদের ছুটির মধ্যেও বিএমইউ হাসপাতালে সীমিত পরিসরে বহির্বিভাগ চালু ছিল। গত ১৯ মার্চ বহির্বিভাগে ৬৮৫ জন এবং ২২ মার্চ রোববার ২১৯ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নেন। দুই দিনে মোট ৯০৪ জন রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বহির্বিভাগ-১ ও বহির্বিভাগ-২ এ এই সেবা দেওয়া হয়।

হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইরতেকা রহমান জানান, ওই দুই দিনে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ প্রায় ৫০০ জন এই চিকিৎসা কার্যক্রমে অংশ নেন। একই সময়ে হাসপাতালের ইনডোর ও জরুরি বিভাগও স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল। এছাড়া বন্ধের দিনগুলোতে রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে এক্স-রে ও সিটি স্ক্যানসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষানিরীক্ষা সেবা প্রদান করা হয়েছে।