প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য
‘কারো বেতন ৭ হাজার, কেউ পান ১৫— খুঁড়িয়ে চলেন কওমি মাদ্রাসা শিক্ষকরা, ‘বিলাসী জীবন’ মুহতামিমদের’ শিরোনামে গত ১৯ অক্টোবর দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজধানীর কাজলার জামেয়া রহমানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি ওযায়ের আমীন। মাদ্রাসার নাম উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠান ও মুহতামিম মুফতি ওযায়ের আমীনের বিরুদ্ধে যে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে প্রতিবাদলিপিতে। এতে বলা হয়েছে, প্রকাশিত তথ্য প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত অবস্থা ও নথিপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ২০২৪ সালে মাওলানা আব্দুল হালিম নামের কোনো ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠানটিতে আবাসিক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সংবাদে উল্লেখ ৭ হাজার টাকা বেতনে শিক্ষক নিয়োগের তথ্যও সঠিক নয়। ২০২৪ সালে নতুন উদ্যমে মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মরত শিক্ষকদের কোনো বেতন বকেয়া নেই। অতএব, সাত মাসের বেতন আটকে রাখার অভিযোগ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকাশিত সংবাদটিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কাজলার জামেয়া রহমানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার ভুক্তভোগী শিক্ষকদের যে নাম ব্যবহার করা হয়েছে, তা ছদ্মনাম। এখানে ভুক্তভোগীদের নাম-পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।
কাজলার জামেয়া রহমানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর আপন ছোট ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। অনুরোধের প্রেক্ষিতে তারও একটি ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ভাইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে। তবে প্রতিবেদনটিতে এই প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো মতামত বা বক্তব্য নেই।