৩০ জুন ২০২৬, ২৩:৫২

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গৌরব অর্জন করলো তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গৌরব অর্জন করলো তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা  © সংগৃহীত

ইসলামি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে দেশের অন্যতম শীর্ষ দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা, ঢাকা আবারও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনন্য গৌরব ও সম্মাননা অর্জন করেছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন কৃতী শিক্ষার্থী অনার্স, ফাজিল ও কামিল স্তরে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীর স্বীকৃতি ও বিশেষ শিক্ষাবৃত্তি লাভ করেছেন।

৩০ জুন (মঙ্গলবার) সকাল ৯টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক জমকালো ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা স্মারক ও সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি শিক্ষামন্ত্রী, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং শিক্ষাবিদদের উপস্থিতিতে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার পক্ষে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও সনদ গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী।

একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানের একাধিক স্তরে জাতীয় পর্যায়ে এমন অভূতপূর্ব শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকে দেশের শিক্ষাঙ্গনে ধারাবাহিক উৎকর্ষতার এক অনন্য ও ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদগণ। অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিকট থেকে সম্মাননা স্মারক ও শিক্ষা বৃত্তি সনদ গ্রহণ করেন মিল্লাতের কৃতী সন্তানরা।

তারা হলেন— ৪ বছর মেয়াদী অনার্স স্তর: সিরাজাম মুনিরা ফারিহা, রাফিয়া হাসান জিনাত এবং তাসনিম তাবাসসুম। ৩ বছর মেয়াদী ফাজিল স্তর: আব্দুল্লাহ মুয়াজ। ২ বছর মেয়াদী কামিল স্তর: হুমায়রা বুশরা নূর।

অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, নৈতিক মানদণ্ড ও ধারাবাহিক সফলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলেন, "নৈতিকতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে যে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, তা-ই একটি জাতিকে প্রকৃত উন্নত নাগরিক উপহার দিতে পারে। তা'মীরুল মিল্লাত সেই আদর্শিক শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেশ গঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করছে।"

এই ঐতিহাসিক ও গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী মহান আল্লাহর দরবারে গভীর শুকরিয়া আদায় করে বলেন, "এটি শুধু একটি সাধারণ সম্মাননা নয়—এটি একটি গৌরবময় ইতিহাস, একটি আদর্শের বিজয় এবং দীর্ঘদিনের সততা ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি। এই অনন্য অর্জনে আমরা আনন্দিত, তবে একই সাথে মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমাদের মাথা নত হয়ে আসে। কারণ প্রকৃত সম্মান ও সফলতা একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকেই আসে।" তিনি এই অবিস্মরণীয় সাফল্যের জন্য মিল্লাত পরিবারের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও অভিভাবকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।