ভুয়া এনটিআরসিএ সনদে চাকরি, হয়েছেন সহকারী অধ্যাপকও, শাস্তি দিচ্ছে অধিদপ্তর
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ভুয়া সনদ ব্যবহার করে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর হাফিজ মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার ইনডেক্স বাতিলের পাশাপাশি চাকরিকালীন সময়ে সরকারি কোষাগার থেকে উত্তোলন করা সব বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।
রবিবার (২৯ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর হাফিজ মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেসা (ইনডেক্স নম্বর: N2098597) এর এনটিআরসিএ সনদ জাল ও ভুয়া—এমন অভিযোগ গত ৩১ মার্চ কাজী শরিফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি অধিদপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগটি তদন্তের জন্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক (রক্ষণ বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আমিরুন্নেসার ৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০০৯ সালের রেজি নং- 90017696/2009 রোল নং-43110264 এর দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয়। দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি জাল ও ভুয়া।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সনদ জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় সহকারী অধ্যাপক আমিরুন্নেসার ইনডেক্স কর্তন করা হলো। তার এমপিওভুক্তির তারিখ হতে উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।