বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রির সময় বাড়ল মাদ্রাসা অধিদপ্তর
দেশের তিন সরকারি ও বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যের ভুল সংশোধন ও নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য এমআইএস (MIS software)-এ হালনাগাদকরণের সময়সীমা বাড়িয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে এমআইএস (MIS) সফটওয়ারে তথ্য এন্ট্রি দিতে হবে।
আজ সোমবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (অর্থ) ড. কে এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এসব তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, দেশের তিনটি সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ও এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত রাজস্ব খাতভুক্ত এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে দাখিল-২০১৪ ও ২০২৫ এবং আলিম-২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ এবং ২০২৫ সালে জেডিসি ও এবতেদায়ী পর্যায়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত (মেধা ও সাধারণ) নিয়মিত ও বাউন্সব্যাককৃত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ G2P (EFT) পদ্ধতিতে 'ব্যাংক হিসাবে" প্রেরণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্যের ভুল সংশোধন ও নতুন শিক্ষার্থীর তথ্য MIS software-এ হালনাগাদকরণের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।
আরও বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক রাজস্ব খাতভুক্ত সকল ধরণের বৃত্তির অর্থ G2P পদ্ধতিতে অনলাইনে EFT-এর মাধ্যমে সরাসরি শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে (Bank Account) প্রেরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কিন্তু কিছু মাদ্রাসার বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তথ্য অদ্যাবধি এন্ট্রি করেননি এবং কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রেরিত তথ্য ব্যাংক হিসাব নম্বর ও শাখার নাম, পরীক্ষার সালসহ বিভিন্ন ধরনের ভুল রযেছে। এ ছাড়া কিছু শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব নম্বর, রাউটিং নম্বরসহ ব্যাংক সংক্রান্ত কিছু তথ্য যথাযথ না থাকায় EFT Bounced Back হয়েছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে ইতিপূর্বে যে সকল আবেদন করা হয়েছে, সেকল আবেদন মাউশির লিংকে চলে গেছে। তাছাড়া, যে সকল প্রতিষ্ঠান আবেদন করতে পারেনি তাদেরও প্রদত্ত লিংকে আবেদন করতে হবে।
এমআইএস (MIS) সফটওয়ারে তথ্য এন্ট্রির নির্দেশাগুলো হলো—
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী নিয়মিত ও ধারাবাহিকভাবে অধ্যয়নরত রয়েছে নিশ্চিত হয়ে তথ্য এন্ট্রি করা; পাঠ বিরতি রয়েছে এরূপ শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি না দেয়া; বাংলাদেশের অনলাইন সুবিধাসম্পন্ন তফসীলভুক্ত ব্যাংকে শিক্ষার্থীর নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে; শিক্ষার্থীর নাম ও অনলাইন ব্যাংক হিসাবের নাম অভিন্ন হতে হবে; অনলাইন ব্যাংক হিসাব নম্বর অবশ্যই ১৩-১৭ ডিজিটের মধ্যে হতে হবে এবং সঠিক ও নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে।
শিক্ষাদীর পরীক্ষার আইডি/রেজিস্ট্রেশন নম্বর, পরীক্ষার নাম ও সন সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে: বৃত্তির ক্যাটাগরি (মেধা ও সাধারণ) সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে; ব্যাংক, শাখার নাম, রাউটিং নম্বর এবং শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাব নম্বর সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে: তথা প্রেবণের ক্ষেত্রে ভুল বা অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান/দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন;
যে সকল শিক্ষার্থীগণ মাদ্রাসা থেকে বৃত্তি পেয়ে মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত আছেন এবং স্কুল/কলেজ থেকে বৃত্তি পেয়ে মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত আছেন শুধুমাত্র ঐ সকল শিক্ষার্থীগণ dme.finance.gov.bd লিংকে আবেদন করবেন; যে সকল শিক্ষার্থী মাদ্রাসা থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি হয়েছেন তারা স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যিমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্ধারিত লিংকে আবেদন করবেন।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নোটিশে বলা হয়, MIS software-এ আবেদন থাকা সত্ত্বেও কোনো শিক্ষার্থী বৃত্তির টাকা না পেয়ে থাকলে পূর্বের আবেদন বাতিল করে নতুন করে আবেদন করতে হবে।
dme.finance.gov.bd-এ লিংকে আবেদন করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই আবেদন যেন মাউশির লিংকে না যায় সেটি নিশ্চিত কতে হবে। MIS software-এ যারা আবেদন করতে পারেননি এবং আবেদনের পর Review দেখতে পারেননি তাদেরকে পূণরায় আবেদন করতে হবে।