০৪ মে ২০২৬, ১৯:১৬

ভুয়া কাগজপত্র ও জাল সনদে চাকরি, ৫ শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল অধিদপ্তর

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর  © ফাইল ছবি

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসায় জাল সনদে চাকরিরত এবং এমপিও নীতিমালার শর্ত লঙ্ঘন করে এমপিওভুক্ত হওয়ার ঘটনায় ৫ শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিও বাতিল এবং বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সবগুলো নির্দেশনাতেই অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার।

তিনটি পৃথক নির্দেশনা থেকে জানায় যায়, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার সেরুডাঙ্গা দারুল উলুম দ্বি-মুখী দাখিল মাদ্রাসার সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. নারজুস আরা বেগমের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি জাল ও ভুয়া। এনটিআরসিএর তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০০৮ সালে ৪র্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। সনদ জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এমপিও নীতিমালা-২০২৬, অনুযায়ী তার ইনডেক্স বাতিল করা হয়েছে।

অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল এম এ মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মো. মোশাররফ হোসাইনের অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ভুলবশত তার এমপিওভুক্তি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে নীতিমালা অনুযায়ী, তিনি এই পদের যোগ্য না হওয়ায় তার ইনডেক্স বাতিল করা হয়েছে এবং বেতনের সব টাকা সরকারি তহবিলে ফেরতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সিরাজ উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার পরিচ্ছন্নতা কর্মী মো. মাহবুবুর রহমান, নিরাপত্তা কর্মী মো. আরিফুল ইসলাম এবং আয়া মোছা. হোসনে আরার বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ টেম্পারিং এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের করা তদন্তে অনিয়ম ধরা পড়ায়, তাদের ইনডেক্সও বাতিল করা হয়েছে এবং বেতন-ভাতা হিসেবে উত্তোলিত নগদ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।