২৪ জুলাই ২০২৬, ১৭:৩৪

স্ত্রীকে মারধরের মামলায় টিকটকার প্রিন্স মামুন কারাগারে

স্ত্রী মোহনাকে মারধরের মামলায় প্রিন্স মামুন কারাগারে  © টিডিসি ফটো

এক কোটি টাকা যৌতুক চেয়ে স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে ভাটারা থানার মামলায় গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স মামুনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াউর রহমান এ আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

এর আগে সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মামুনের স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় মামলা করেন। মামলার পর তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

এদিন আদালতে তার পক্ষে আইনজীবী জামিন আবেদন করে শুনানি করেন। তবে এসময় বাদীপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না। 

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মামলা বাদী মোহনা একজন ফ্যাশন মডেল হিসেবে কাজ করছেন। গত ৫ মাস পূর্বে আসামি মামুনের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। আসামি মামুন বিভিন্ন বয়স্ক মহিলাদের সঙ্গে পরকিয়ায় লিপ্ত এবং নেশায় আসক্ত। মোহনা তাকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেই  মারধর করে। 

বিবাহের পর থেকেই তিনি দোকান দেওয়ার জন্য তার কাছে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি করেন। তবে টাকা দিতে অস্বীকার করলে মোহনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মোহনার বাসায় মামুন নেশাগ্রস্থ অবস্থায় এসে এক কোটি টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। 

মোহনাকে তার পিতা-মাতার বাড়ি থেকে এই টাকা এনে দিতে বলেন। তবে মোহনা অস্বীকৃতি জানালে, তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ এলোপাথারী কিল ঘুষি ও লাথি মারতে থাকেন। মারধরের সময় তার গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। এতে তার বাম চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম হয় এবং ডান কানে নীলাফুলা জখমসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে আহত করা হয়।