জামিন পেলেন বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় গ্রেপ্তার বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও আইনজীবী কাজী আহসান হাবিব। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খান মো. মইনুল হাসান লিপন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরে মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে গত ৪ সেপ্টেম্বর মহানগর বিশেষ জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলে তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে আজ তাকে জামিন প্রদান করেন হাইকোর্ট।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ৬ জুন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ ও এ কে এম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের নামে এ মামলা করেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থার সেই সময়ের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম।তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রকল্পের আওতায় শেখ হাসিনা ছাত্রী হল ও ড. ওয়াজেদ মিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণে প্রায় চার কোটি টাকার অনিয়ম ও আত্মসাৎ।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মো. আবদুস সালাম বাচ্চু ও এম এম হাবিবুর রহমান।
উল্লেখ্য, ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্যের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত অধ্যাপক এ কে এম নূর-উন-নবী উপাচার্য ছিলেন।