দুর্নীতির মামলায় তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু, সাক্ষ্য গ্রহণ ২২ জুন
ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধভাবে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও প্রবীণ আওয়ামী লীগের নেতা তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। ফলে মামলাটির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হলো।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২২ জুন সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করেন।
তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিচার শুরু হওয়া অপর আসামিরা হলেন ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ও ভোলার মোশারফ হোসেন। এর মধ্যে আসামি মোশারফ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুজন পলাতক।
এর আগে, গত ১৯ এপ্রিল তোফায়েল আহমেদসহ দুজন পলাতক থাকায় ঢাকা বিভাগীয় স্পেশাল জজ তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০০২ সালে দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি করেন। এতে বলা হয়, তোফায়েল আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে অর্জিত ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন করার উদ্দেশ্যে সহযোগীদের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করেন।
আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ও ভোলার মোশারফ হোসেনের সঙ্গে যোগসাজশে সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল কর্পোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ উত্তোলন করা হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত শেষে তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়।
তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলার কার্যক্রম দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে (সোমোটো) মামলাটি আবার কার্যকর করে নিম্ন আদালতে পাঠানো হয়।