০৫ মে ২০২৬, ১৩:৩৯

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ মে

শরিফ ওসমান বিন হাদি  © সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। নির্ধারিত দিনে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকার আদালত নতুন করে আগামী ১৭ মে তারিখ ধার্য করেছেন। এ নিয়ে মামলাটিতে একাধিকবার সময় নেওয়ায় তদন্ত কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এ জন্য ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত পরবর্তী সময়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন করে এই তারিখ ধার্য করেন। এ নিয়ে মামলাটিতে অধিকতর প্রতিবেদন দাখিলের ১৩ বারের মতো সময় পেলেন তদন্ত কর্মকর্তা। 

প্রসিকিউশন বিভাগের পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মো. মামুন হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর গত ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের নারাজি দাখিল করেন। ওই দিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, শরিফ ওসমান হাদি অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করে মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা ১২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তার মাথা ও ডান কানের নিচের অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক জখম প্রাপ্ত হন। পরবর্তী সময়ে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর মারা যান।

এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন। পরবর্তী সময়ে এটা হত্যা মামলায় রূপান্তর নেয়।