২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৪৬

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ, চ্যালেঞ্জ করলেন অ্যাডভোকেট তাজুল

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম  © সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে উঠা অনিয়মের অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করেছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) লিখিত এক বক্তব্যে এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। 

বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘জঘন্য মিথ্যাচার ও তথ্যপ্রমাণহীন’ বলে দাবি করে  অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, গতকাল এবং আজ কিছু সংখ্যক গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে আমার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জনৈক প্রসিকিউটরের বরাতে কিছু বিদ্বেষপ্রসূত ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এ ব্যাপারে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে- উক্ত বক্তব্য সমূহ জঘন্য মিথ্যাচার, তথ্য প্রমাণবিহীন এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার দূরভিসন্ধি থেকে করা হয়েছে। উক্ত বিদ্বেষপ্রসূত ও অভিযোগগুলো সর্বতোভাবে মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। 

তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি আমার আনীত এসব অভিযোগের স্বপক্ষে সামান্য তথ্য প্রমাণও কেউ দেখাতে পারবে না। আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে আমি এবং প্রসিকিউশন টিমের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বচ্ছ এবং আইনানুগ। আমি মনে করি পতিত স্বৈরাচার এবং গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তিকৃত এবং চলমান বিচার প্রক্রিয়া থেকে দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি মহল সংঘদ্ধভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে যাতে এই বিচার আর কোনভাবে অগ্রসর না হতে পারে। 

আমার দায়িত্বপালন কালে আমার বিরুদ্ধে কোন প্রশ্ন তোলার সুযোগ কেউ পায়নি। আমি বিদায় নেওয়ায় পর বিশেষ মহল গনহত্যাকারীদের সুবিধা দেয়ার জন্য এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে এই ধরনের মিথ্যাচার এবং ঘৃণ্য অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকতে আহবান জানাচ্ছি।

জানা গেছে, সোমবার (ফেব্রুয়ারি) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘ট্রাইব্যুনালে সেটলিং বাণিজ্য ও রাজসাক্ষী নাটক: কেন সরতে হচ্ছে তাজুল ইসলামকে?’ শিরোনামে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেখানে দুটি মন্তব্য করেন  ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। সেই দুই মন্তব্যে তাজুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করেন তিনি।