খিটখিটে মেজাজের সহকর্মী দিবস আজ
কর্মক্ষেত্রে খিটখিটে মেজাজের সহকর্মীর মুখোমুখি হতে হয় কমবেশি সবাইকেই। কেউ সামান্য বিষয়েই বিরক্ত হন, কেউ আবার সকাল থেকেই থাকেন গম্ভীর। কাজের চাপ, ব্যক্তিগত দুশ্চিন্তা কিংবা ঘুমের অভাব—বিভিন্ন কারণে এমন আচরণ দেখা দিতে পারে। মজার বিষয় হলো, এমন সহকর্মীদের ঘিরেও রয়েছে একটি বিশেষ দিবস। প্রতিবছর ২৭ অক্টোবর পালিত হয় ক্র্যাঙ্কি কো-ওয়ার্কার্স ডে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবসটি উপলক্ষে কর্মক্ষেত্রে পারস্পরিক বোঝাপড়া, সহনশীলতা ও ইতিবাচক সম্পর্কের গুরুত্ব নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
দিবসটির মূল উদ্দেশ্য কাউকে খিটখিটে মেজাজের জন্য উপহাস করা নয়। বরং সহকর্মীদের আচরণের পেছনের কারণ বোঝা এবং কর্মপরিবেশকে আরও সুন্দর করে তোলার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা।
ইংরেজি ‘ক্র্যাঙ্কি’ শব্দের অর্থ খিটখিটে মেজাজের বা সহজেই বিরক্ত হয়ে পড়েন এমন। অন্যদিকে, ‘কো-ওয়ার্কার্স’ অর্থ সহকর্মীরা। অর্থাৎ, কর্মক্ষেত্রে সহজেই বিরক্ত হন কিংবা রুক্ষ আচরণ করেন—এমন সহকর্মীদের ঘিরেই দিবসটির ধারণা।
এটি একটি অনানুষ্ঠানিক ও মজার দিবস। এর মাধ্যমে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, সবার মেজাজ সব সময় এক রকম থাকে না। কোনো দিন কাজের চাপ বেশি থাকতে পারে, আবার কোনো দিন ব্যক্তিগত সমস্যায় মন খারাপ থাকতে পারে। তাই সহকর্মীর আচরণে বিরক্ত হওয়ার আগে তাঁর পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা জরুরি।
কর্মক্ষেত্রে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ধৈর্য ও সহমর্মিতা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো সহকর্মী খিটখিটে আচরণ করলে পাল্টা বিরূপ প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে শান্তভাবে কথা বলা এবং প্রয়োজনে তাঁকে কিছুটা সময় দেওয়া পরিস্থিতি সামলাতে সাহায্য করতে পারে।
ক্র্যাঙ্কি কো-ওয়ার্কার্স ডে বিভিন্ন ব্যতিক্রমী দিবসের তালিকায় পরিচিত একটি উপলক্ষ। দিবসটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের টমাস ও রুথ রয় দম্পতির নাম বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়। তাঁদের ওয়েবসাইট ‘ওয়েলক্যাট হলিডেজ’-এর মাধ্যমে নানা ব্যতিক্রমী ও মজার দিবসের ধারণা পরিচিতি পেয়েছে।