রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (বিএসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খানের নেতৃত্বে কাউন্সিলের চারজন পূর্ণকালীন সদস্য আজ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাতের শুরুতে চেয়ারম্যানসহ কাউন্সিলের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন।
এ সময় কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জানান, ২০১৭ সালে সংসদে প্রণীত আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়। আইন অনুযায়ী, কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের পদমর্যাদা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সমপর্যায়ে নির্ধারিত হয়েছে। তিনি দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা, বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে কাউন্সিলের ভূমিকা ও কার্যক্রম তুলে ধরেন।
চেয়ারম্যান উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একাডেমিক প্রোগ্রামের মানোন্নয়নে অ্যাক্রেডিটেশনের গুরুত্ব, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে কাউন্সিলের চলমান উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এ সময় কাউন্সিলের ক্রমবর্ধমান কার্যক্রমের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্থায়ী অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে তিনি কাউন্সিলের জন্য নিজস্ব জমি বরাদ্দ এবং স্থায়ী ভবন নির্মাণে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি দেশের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলের জনবল সম্পর্কে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বর্তমানে জনবল-স্বল্পতার বিষয়টি তাঁকে অবহিত করেন। এ সময় বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
সাক্ষাৎকালে কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. এমদাদুল হক, অধ্যাপক ড. আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল, অধ্যাপক ড. মো. শাহ এমরান এবং অধ্যাপক ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান।