১৩ জুলাই ২০২৬, ১৯:৩১

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার নামে তামাশা চলছে: মোজাম্মেল হক

চবি শিক্ষক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক  © সংগৃহীত

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার নামে তামাশা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, ‘এখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার নামে একটা তামাশা চলছে। আমি কয়েকদিন আগে একটা বিদেশি একটা ডকুমেন্টারি দেখেছি যেখানে বলতেছে যে, বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা একটা টোটাল ফেলিউর।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধেক গ্রাজুয়েট হচ্ছে জবলেস বেকার, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এটা ওয়ান থার্ড এবং প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির সংখ্যাটা আরো একটু কম, এটা ১৯% বলতেছে। তো এই বিষয়গুলো নিয়ে এড্রেস করার কোন জায়গা নাই। সেজন্য আমি বললাম। আর যত বড় বড় নিয়মকানুনগুলো করা হচ্ছে একটা করাপ্ট কমিউনিটি উইল ফাইন্ড দ্য ওয়ে টু গিভ ফাঁকি।’

সম্প্রতি সমাজ ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন কেন্দ্র (সিএসসিএস) নামক একটি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত পডকাস্টে মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এসব কথা বলেন। তিনি সমাজ ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন কেন্দ্র (সিএসসিএস) নামক একটি অলাভজনক ও অরাজনৈতিক গবেষণাধর্মী অধ্যয়ন কেন্দ্র চালান। মুক্ত জ্ঞান চর্চার আন্দোলন পরিচালনার মাধ্যমে চিরায়ত সামাজিক মূল্যবোধসমূহের লালন ও বিকাশ সাধনে সহায়তা প্রদান এর লক্ষ্য বলে সিএসসিএসের ওয়েভ সাইটে বলা আছে। সেখানে বলা আরও বলা আছে-আমাদের জনগোষ্ঠীর মূল সমস্যা হলো জ্ঞানের, উপলব্ধির ও দৃষ্টিভঙ্গির। অফুরন্ত সম্ভাবনাময় এ জীবন ও জগতকে গড়ে তোলার জন্য মননের এই জায়গায় কাজ করা জরুরি। 

পডকাস্টে চবির এই শিক্ষক বলেন, ‘আমাদের এক ছাত্র, ওর নাম হচ্ছে সোহাগ। খুব ভদ্র ছেলে। আজকে ক্লাসের পরে আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলো। বলল যে, স্যার আমি একটা প্রবলেম ফেস করছি যে টিচাররা কিছু জিজ্ঞেস করলে আমি খুব সহজ কথায় বলতে পারি না অথবা কোন একটা প্রশ্ন আমি করব, আমি প্রশ্নটা করার সময় একটু ডিটেলস বলি। কিন্তু স্যারেরা খুব বিরক্ত হয়। খুবই রেগুলার ছেলে, খুবই ভালো ছেলে; তো ও বলল স্যার আমি কী করতে পারি?’

তিনি বলেন, ‘তখন তাকে আমি বললাম যে, তুমি চেষ্টাটা করবা সংক্ষেপে বলার জন্য এবং টিচারদের উচিত তোমাকে একটু বলা এলাও করার জন্য। তবে টিচারদের অংশটা তো ওরও হাতে নাই। প্রসঙ্গক্রমে ওকে আমি আজকের অভিজ্ঞতার কথা বললাম। অন্য একটা ইয়ারের ক্লাসে যেখানে আমার কোর্স ছিল ক্রিটিক্যাল থিংকিং অ্যান্ড ইনফরমাল লজিক— সেখানে ক্রিটিক্যাল থিংকিং নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তাদেরকে আমি ক্রিয়েটিভিটির কথা বললাম। ক্রিয়েটিভিটির কথা বলতে গিয়ে তাদেরকে আমি প্রসঙ্গক্রমে জিজ্ঞেস করলাম, তোমরা কি কখনো ব্লুমস ট্যাক্সোনমি বলে একটা জিনিস আছে, এটা কখনো কি শুনেছো? কেউ শুনে নাই। তখন তাদেরকে বললাম যে, তোমরা এটা গুগল সার্চ করো। করার পরে দিয়ে ব্লুমস ট্যাক্সোনমির যে ছবি আসলো সেগুলো তাদেরকে দেখাইলাম যে, ক্রিয়েটিভিটি হচ্ছে শিক্ষার মানে সর্বোচ্চ স্তর। তোমার শেখাটা হইছে কিনা এটা বোঝা যাবে তুমি যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ক্রিয়েটিভ হতে পারো।’

চবি শিক্ষক বলেন, ‘তখন তাদের জিজ্ঞেস করলাম যে, তোমরা এই শব্দটার সাথে পরিচিত কিনা? শব্দটা রুব্রিক। তো একটা স্টুডেন্ট বলল যে সে পরিচিত। আমি বললাম রুব্রিক কী? তখন সে বলল যে এটা একটা পাজেল মিলানোর খেলা টাইপের কিছু একটা। আমি বললাম আসলে সেটা না। একটা প্রশ্নের যদি ১০ নম্বর থাকে তাহলে প্রশ্নটা কীভাবে লিখলে ১০ নম্বরে ১০ পাওয়া যাবে— এটা স্টুডেন্ট জানবে এবং টিচারও জানবে। তো কীভাবে এসেসমেন্টটা করা হবে? এইটা তো এটা তারা শোনে নাই। আমি যাদের সাথে কথা বলছিলাম তারা হচ্ছে যে, আমাদের ইউনিভার্সিটিতে অনার্স থার্ড ইয়ার। তো তারা দুইটা পরীক্ষা দিছে, থার্ড ইয়ার পরীক্ষা তাদের সামনে; তারা এগুলো শোনে নাই।’

বর্ণনা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘একবার আমি পরীক্ষার হলে একটা কাজে ছিলাম। তখন আমাদের একজন ইয়াং টিচারকে আমি ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট ভার্সেস সামেটিভ অ্যাসেসমেন্ট...। অর্থাৎ বছরের শেষে কী শিখছে এটার একটা পরীক্ষা, এটাকে বলে সামেটিভ অ্যাসেসমেন্ট। এটা হচ্ছে অ্যাসেসমেন্ট অব টিচিং। আর অ্যাসেসমেন্ট ফর টিচিং যেটা, এটাকে ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট বলে। তুমি একটুখানি শেখার পরে তোমার একটা টেস্ট নেওয়া হবে। তুমি যে ভুলটা করছো, সেটা তোমাকে দেখিয়ে দেওয়া হবে। তুমি সংশোধন করবা। নেক্সট তুমি আরো ভালো করবা। এটা হচ্ছে, অ্যাসেসমেন্ট ফর টিচিং। এটাকে বলা হয় ফরমেটিভ অ্যাসেসমেন্ট।’

‘এই মৌলিক কিছু কথাবার্তা বলার পরে সে আমাকে বলল যে, স্যার আমি একদম গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে, ইউনিভার্সিটির ৯৫ ভাগ টিচার আসলে এই অ্যাসেসমেন্ট সম্পর্কে কোন কিছুই জানে না। একটু আগে এই যে ফয়সাল আমাদেরকে বলল যে দেখা গেল একজন টিচার বললো যাদের হাতের লেখা খারাপ তাদের খাতা আমি পড়ব না, এরকম। তারপরে কেউ বলে যে এখানের মধ্যে এভাবে করে আন্ডারলাইন করতে হবে। কেউ বলে যে না, কোন আন্ডারলাইন বা এরকম এগুলো করা যাবে না। স্টুডেন্ট কোয়াইট কনফিউজড। তখন আমি ফরহাদ যে ছেলেটা, আমার সাথে দেখা করতে আসলো তাকে আমি সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বললাম, দেখো আমরা সাধারণত ফোকাস করি আমাদের সেন্টারের কাজের মধ্যে। ইউজুয়ালি, হাউ টু ডেভেলপ দ্য টিচিং। মানে টিচিং পার্ট। টিচারস পার্টটা আমরা ডেভেলপ করার চেষ্টা করি। কিন্তু টিচাররা তো লিড করে একটা ক্লাসকে, লিড করে অ্যাজ লাইক অ্যাজ দ্য ক্যাপ্টেন লিড দ্য হোল টিম, ওকে। কিন্তু আমরা যদি লার্নার যারা আছে, স্টুডেন্ট যারা আছে, তাদের দিক থেকে দেখি, তার মধ্যে আমরা দেখি যে পার্সোনালিটি টাইপ যেরকম, তুমি কোনভাবে একজন ইন্ট্রোভার্টকে এক্সট্রোভার্ট করতে পারবা না। যেভাবে তুমি চাইলে একটা মেয়েকে ছেলে বানাইতে পারবা না বা একটা ছেলেকে মেয়ে বানাইতে পারবা না। তেমনি করে তুমি একটা ইন্ট্রোভার্টকে তুমি এক্সট্রোভার্ট করতে পারবে না।’

‘চার ধরনের লার্নার আছে। কিছু কিছু লার্নার হচ্ছে তাদের অডিটরি ক্যাপাসিটিটা খুব ভালো। ও যখন কোন কিছু শোনে তখন সে ক্যাচ করতে পারে। আর কিছু কিছু লার্নার হচ্ছে যারা হচ্ছে ভিজুয়াল। ও যখন কোন কিছু দেখে তখন সে ভালো করে বুঝতে পারে। কিছু কিছু লার্নার হচ্ছে যারা কোন কিছু পড়লে বা লিখলে রিডিং-রাইটিং স্কিলটা তার খুব ভালো। পড়ে বা লেখে সে ভালো বুঝতে পারে। শুনে সে ততটা ভালো বুঝতে পারে না। ওকে? আরেক ধরনের লার্নার আছে যারা হচ্ছে লার্নিং। বলে যে কাইনেস্থেটিক অর্থাৎ সে ডুইং। তাকে যখন কোন কিছু করতে দেয়া হয়, করতে করতে সে শেখে।’

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এখন এই যে বললাম যে, পার্সোনালিটি টাইপ যেভাবে চেঞ্জ করা যায় না, তোমার অনেক কিছু যেমন তোমার ফিজিওলজি তুমি চেঞ্জ করতে পারো না। ঠিক তেমনিভাবে তোমার যে লার্নিং স্কিল, যেটা তোমার নাই, সেক্ষেত্রে তুমি ২০% কে হয়তো ৩০% বাড়াইতে পারবা। কিন্তু এটা তোমার মেজর যে লার্নিং স্কিল, এটা তুমি চেঞ্জ করতে পারবা না। তাহলে আমি যখন স্টুডেন্টকে ভর্তি করালাম, অ্যাট দ্য ফার্স্ট প্লেস আমরা যারা টিচার আছি, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে, একটা সার্ভে হইতে হবে কিছুদিন ইয়ে (ক্লাস) করার পর দিয়ে যে, আসলে সে কোন ধরনের এবং তার জন্য আলাদা কী বিশেষ ব্যবস্থা করা যেতে পারে? এজন্য ও যে হাউস টিউটর অথবা টিউটোরিয়াল গ্রুপ স্টাডি যেগুলা, ওই যে মাদ্রাসা সিস্টেমে যেটা ‘তাকরার’ বলে এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরেকটা হলো যে, টিচার যখন ক্লাসের মধ্যে পড়াবে তখন সে একটা বিষয়কে বোঝাতে গিয়ে এই চার ধরনের পদ্ধতিকে সে এপ্রোচ করতে হবে। যাতে করে অল স্টুডেন্ট যাতে এই জিনিসটাকে কাভার করতে পারে। দেখো শিক্ষা করতে করতে আমরা এখন অবসরের পথে, কতজন শিক্ষকতা শেষ করে গেছে। কিন্তু হাউ টু টিচ হাউ টু ম্যানেজ এ ক্লাস এই জিনিসগুলো লোকেরা জানে না। এখন নতুন ওবি কারিকুলাম ইত্যাদি করা হচ্ছে। কিন্তু তাতে খুব বড় যে করে পরিবর্তন হবে আমি সে ব্যাপারে আশাবাদী না। তবে সেটা নিয়ে আমরা ওদিন প্রফেসর ইব্রাহিমকে যেটা বলছিলাম যে, টিচাররা আগে যেগুলো তাদের কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে করতো এখন সেগুলো নিয়ম কারণে...। কারণ তারা হয়তো করতে বাধ্য হবে বা করবে অথবা না করলে তাদেরকে বলা যাবে যে, এটা হচ্ছে নিয়ম।’

মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমাদের ডিপার্টমেন্টে যখন আমি এরকম টিচারদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য বললাম তখন সিনিয়র প্রফেসররা এরকম বলছে যে আমাদের বয়স হয়ে গেছে আমরা প্রফেসর হয়ে গেছি। এখন আমরা কী শিখবো? ইভেন আজকেই আমি যখন একটা ক্লাসে গেছি, আমার ক্লাসের সময় হয়ে গেছে। আমি দেখলাম যে দরজাটা বন্ধ। আগের টিচার হয়তো ক্লাস নিচ্ছে। আমি ইউজুয়ালি যেটা করি পিছনে গিয়ে বসে পড়ি। আমি দেখলাম যে টিচার ইজ ট্রাইং হার্ডলি হেলপ স্টুডেন্ট টু আন্ডারস্ট্যান্ড টপিক বাট মেথড ওয়াজ রং। তো কোন টিচার কী ভুল ছিল সেটা আমি আর এখানে বলছি না। উনারা খুবই বিব্রত হবে। এই যে আমরা যে অাসেসমেন্ট, আমরা যে খাতা কাটি বা মূল্যায়ন করি সে ব্যাপারেও কোন রকমের রুব্রিক নাই। যার কারণে দেখা গেছে, ব্যাপক একটা থার্ড এক্সামিনেশন হচ্ছে। এই থার্ড এক্সামিনেশন যদি কোন ব্যাড ইন্টেনশন ছাড়া করা হয়, এটা একটা গ্যামলিংয়ের মত, ওকে। আর এই যে আমরা ডুয়েল এক্সামিনেশন সিস্টেমে কিভাবে নাম্বারগুলো দিচ্ছি, থার্ড এক্সাম যদি নাও হয় কীভাবে যে জিনিসগুলো চলছে— সেটা একটা খুব ভয়ানক ব্যাপার! এটার ভিক্টিম হচ্ছে স্টুডেন্টরা।’

তিনি বলেন, ‘তোমরা অনেক স্বাধীনতার দাবি করো। তোমরা অনেক ক্ষমতার ইয়ে করো। কিন্তু তোমরা তোমাদের লেখাপড়া যে কাজের জন্য আসছো সেখানেই তোমরা এমনভাবে মার খেয়ে গেছো। আজকেই আমি স্টুডেন্টদেরকে বললাম যে, তোমরা যে আজকে আমার একটা ক্লাস টেস্ট দিতে আসছো? তোমরা কি আসলে পড়াশোনা করে আসছো? ফ্র্যাঙ্কলি বল। আমার সাথে স্টুডেন্টরা মোস্টলি ফ্র্যাঙ্ক এবং তারা বলছে যে, তাদের বেশিরভাগই কোন রকমের প্রিপারেশন ছাড়া আজকে পরীক্ষা দিতে আসছে। তাহলে পরীক্ষা কীভাবে দিবা? পাস কিভাবে করবা? এটা আমি আবার নেক্সট সপ্তাহের জন্য ইয়ে করেছি।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষক বলেন, ‘তাদেরকে আমি একটা গল্প শুনিয়েছি যে এমন একটা হোটেল, এটা যদি খাওয়ার হোটেল হয়, রেস্টুরেন্ট, সেখানে খাবার-দাবার নাই, কিন্তু কাস্টমাররা আসতেছে, বসতেছে এবং তাদেরকে বিল চার্জ করা হচ্ছে এবং তারা বিল পে-ও করতেছে। অথবা এটা থাকার হোটেল, সেখানে থাকার কোন ব্যবস্থা নাই, তাদেরকে এন্টারটেইন করা হচ্ছে, কিন্তু তাদেরকে বিল চার্জ করা হচ্ছে। তারা বিলও দিচ্ছে। অর্থাৎ লেখাপড়ার কোন খবর নাই, পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে এবং তারা হেভিলি পরীক্ষা এটেন্ড করে পাস করে যাচ্ছে। এরকম একটা সিচুয়েশন এখানে চলতেছে। আই ডোন্ট নো যে, এটা আর কীভাবে সমাধান হবে। বাট দিজ আর দ্য প্রবলেমস। শিক্ষকদের উচিত হচ্ছে যে, নিজেদের তরফ থেকে এগিয়ে এসে এই চক্রটাকে ভাঙা। এখন স্টুডেন্টরা ছাত্র, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে। তাতে শিক্ষকদের অনুভূতিতে আঘাত লাগবে, এটা একটা সমস্যা। কিন্তু আমি যদি স্টুডেন্ট হতাম আমি কিন্তু হয়তো তাই করতাম। ইনফ্যাক্ট আমার স্টুডেন্ট লাইফেও আমি তাই করেছি। কিন্তু টিচারদের দায়িত্ব হচ্ছে যে বিষয়গুলো জানা এবং প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হচ্ছে এগুলোকে অবলিগেশন করা।’