২৪ জুন ২০২৬, ১৭:২২

সাড়ে তিন দশক পর ‎‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে শিক্ষার্থী প্রতিনিধি

‎‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়  © টিডিসি

‎‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সিনেটে দীর্ঘ সাড়ে তিন দশক পর শিক্ষার্থী প্রতিনিধিত্ব ফিরে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) থেকে পাঁচজন প্রতিনিধিকে সিনেট সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে।

‎১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ, ১৯৭৩ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা হলো সিনেট। অধ্যাদেশের ১৯(১)(ক) ধারা অনুযায়ী সিনেটে পাঁচজন শিক্ষার্থী প্রতিনিধির অন্তর্ভুক্তির বিধান রয়েছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের জন্য পাঁচটি আসন সংরক্ষিত থাকলেও তিন দশকের বেশি সময় ধরে এসব পদ কার্যত শূন্য ছিল। সম্প্রতি জাকসুর তৃতীয় কার্যনির্বাহী সভায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে সিনেট সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

‎প্রতিনিধিরা হলেন জাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) ফেরদৌস আল হাসান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (নারী) আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা এবং পরিবেশ ও প্রকৃতিবিষয়ক সম্পাদক সাফায়েত মীর।

‎সিনেটে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৫৩তম আবর্তনের শিক্ষার্থী ফারদিন তোহা রাফি বলেন, ‘সিনেটে দীর্ঘদিন শিক্ষার্থী প্রতিনিধিত্ব না থাকায় শিক্ষার্থীদের নানা দাবি ও সমস্যা সরাসরি উপস্থাপনের সুযোগ ছিল না। যাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতো, তারা সেই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারত না।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমস্যা সবচেয়ে ভালো বোঝে এবং তুলে ধরতে পারে শিক্ষার্থীরাই। তাই এত বছর পর সিনেটে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হওয়ায় আমরা আশা করছি, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আরও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে।’