১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০০

বিএমইউর নিনমাসে প্রথমবারের মতো পেডিয়াট্রিক নিউক্লিয়ার মেডিসিন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠান  © সংগৃহীত

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেসে (নিনমাস) প্রথমবারের মতো ‘পেডিয়াট্রিক নিউক্লিয়ার মেডিসিন: সিনটিগ্রাফি, স্পেক্ট-সিটি অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের কামাল উদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়ামে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে নিনমাসের পরিচালক এবং বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী সভাপতিত্ব করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে নিউক্লিয়ার মেডিসিন, পেডিয়াট্রিকসহ বিভিন্ন বিভাগের মোট ১৮ জন চিকিৎসক ও প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

সেমিনারে মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা। তিনি শিশুদের জটিল রোগ নির্ণয়ে নিউক্লিয়ার মেডিসিনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিশদভাবে তুলে ধরেন। বিশেষ করে শিশুদের বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া ডায়াগনোসিসে ‘এইচআইডিএ স্ক্যান’, ‘ডিটিপিএ’, ‘ডিএমএসএ রেনাল স্ক্যান’ এবং অন্ত্রের রক্তক্ষরণ নির্ণয়ে ‘মিকেলস স্ক্যান’-এর ভূমিকা উল্লেখ করেন। এছাড়া ব্রেইন পারফিউশন টেস্টের মাধ্যমে শিশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা সঠিকভাবে নির্ণয় করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী বলেন, নিউক্লিয়ার মেডিসিন একটি বহুমুখী (মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি) বিভাগ, যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের সকল শাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের নিম্ন আয়ের মানুষের চিকিৎসা সেবা সহজ করতে বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, নিউক্লিয়ার মেডিসিন প্রযুক্তির পাশাপাশি আল্ট্রাসনোগ্রাম, ডপলার, ইলাস্টোস্ক্যান এবং পেট-সিটির মতো অত্যাধুনিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়মিত নির্ভুল রোগ নির্ণয় করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার থাইরয়েড ক্যানসার রোগী নিনমাসের থাইরয়েড বিভাগে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. রোকনুজ্জামান, পেডিয়াট্রিক হেমাটোলজি অ্যান্ড অনকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হেলেনা বেগম, পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সালমা জাহান এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ বদরুল আলম।