১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৪১

সর্বাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিতে প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক উৎকর্ষের বিকল্প নেই: বিএমইউ উপাচার্য

বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনোগ্রাফির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক কর্মশালা  © সংগৃহীত

‘আল্ট্রাসাউন্ড ফার্স্ট, আল্ট্রাসাউন্ড লাস্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনোগ্রাফির (বিএসইউ) ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আধুনিক ডায়াগনস্টিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত এবং এই খাতে শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানের আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে দেশের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের দ্রুত ও নিখুঁত বিকাশে রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার ভূমিকা সর্বজনস্বীকৃত। আল্ট্রাসনোগ্রাফির সেবার গুণগত মান ধরে রাখতে চিকিৎসকদের নিরবচ্ছিন্ন প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক উৎকর্ষের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের অর্জিত জ্ঞান রোগীদের সেবায় কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন জানান, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিএসইউ সারা দেশে ৬টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। তিনি চিকিৎসকদের জন্য উচ্চতর কোর্স চালুসহ বিএমইউ ও সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়া বিএসইউর সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারী জানান, এই কনফারেন্সে দেশ-বিদেশের দুই শতাধিক সনোলজিস্ট যোগ দিয়েছেন এবং ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিশেষজ্ঞরা এতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বৈজ্ঞানিক অধিবেশন এবং আন্তর্জাতিক আল্ট্রাসাউন্ড সংস্থার অংশগ্রহণে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেনসহ পরমাণু শক্তি কমিশন, মহিলা সমিতি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক আয়োজনের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের ট্রেজারার ডা. মো. আব্দুর রশীদ।