০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৪৭

যাত্রাবাড়ীর জুলাই হত্যা মামলায় আসামী ঢামেক পরিচালক, আইনজীবীসহ কাউকেই চেনেন না বাদী

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. আসাদুজ্জামান  © টিডিসি সম্পাদিত

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শেষ মুহূর্তে ৫ আগস্ট রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে সহিংসতার ঘটনায় দায়েরকৃত একটি মামলায় আসামী করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. আসাদুজ্জামানকে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, ওই দিন বিকেল প্রায় সাড়ে ৩টার দিকে আরও প্রায় ৯০০ জনের সাথে যাত্রাবাড়ী মোড়ে মুক্তিকামী জনতার ওপর আক্রমণ করেন পরিচালক। তবে ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ দায়েরকৃত এই মামলার আসামীদের কাউকেই চেনেন না বাদী। আইনজীবীর একক আগ্রহে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করলেও আইনজীবীর নামও ভুল জানিয়েছেন তিনি।

দেড় বছর আগে দায়ের হলেও সম্প্রতি মামলায় ঢামেক পরিচালকের আসামী থাকার তথ্যটি প্রকাশ্যে আসে। পরিচালকের দাবি, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের টেন্ডার ও বদলি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) একটি অংশ বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তার অংশ হিসেবেই মামলার তথ্যটি নতুন করে সামনে আনা হয়েছে। তিনি বলছেন, অনড় অবস্থানের কারণে টেন্ডার-চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়ম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হওয়ার কারণেই তাকে ঘায়েল করতে মামলার বিষয়টি ব্যবহার করা হচ্ছে।

‘আমারে (দিয়ে) পুরো বাণিজ্য করে ফেলাইছে মামলাটা দিয়া’
মামলার নথি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত বছরের ১৮ মার্চ মিরাজ হোসেন নামে একজন শ্রমিক যাত্রাবাড়ী থানায় এই মামলা দায়ের করেন। এতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়কমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ৩০৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে আরও ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে। সব মিলিয়ে মোট আসামী ৮০০ থেকে ৯০০ জন।

মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (এফআইআর) অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা সাড়ে ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে ছাত্রজনতার ওপর আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হত্যাযজ্ঞ চালায়। সে সময় আসামীরা ‘পরস্পর যোগসাজশে বেআইনি জনতাবদ্ধে দাঙ্গা সংগঠন করে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত, প্ররোচনা প্রদান এবং ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন’ করেন। তবে কোন আসামী কী ধরনের অপরাধ সংগঠন করেছেন, তা এফআইআরে উল্লেখ নেই।

আমি কি সম্বন্ধে মামলা করতে যামু? যারে আমি না চিনি ভাই, একজনের নামে কি লাইগা আমি ভুয়া কেস করুম? মানে এই মামলাটা দিছে, এইটা পুরোটা বাণিজ্য করে ফেলাইছে আমার ওপর দিয়ে। আমি তো মনে করেন ফুটপাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতেছি। আর আমারে পুরো বাণিজ্য করে ফেলাইছে মামলাটা দিয়া— মিরাজ হোসেন, মামলার বাদী

এই মামলার ১০২ নম্বর আসামী হিসেবে নাম রয়েছে ঢামেক পরিচালকের। তবে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ‘ব্রিগেডিয়ার জেনারেল’ র‌্যাংকের হলেও এফআইআরে তার র‌্যাংক বলা হয়েছে ‘মেজর জেনারেল’।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামলার বাদী মিরাজ হোসেন পেশায় শ্রমিক। তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি মতিঝিলে ফুটপাতে কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি মাথা, হাত এবং কোমরে ব্যাপক আঘাত পান। এর মধ্যে মাথার আঘাত ছিল গুরুতর, সেখানে অন্তত ১৪টি সেলাই দিতে হয়েছে। শারীরিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় অর্থনৈতিকভাবেও পিছিয়ে পড়েছেন মিরাজ। ঢাকায় টিকতে না পেরে বর্তমানে থাকছেন মুন্সীগঞ্জে।

জানতে চাইলে মিরাজ হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আমি এত বড় মামলা দিছি, উনাদের কাউরে চিনি না। মামলাটা মূলত দিছে কোর্ট থেকে, উকিলে। আমি জানি না যে এত বড় বড় মানুষের নামে আমি মামলা দিব। উকিলে সাইন নিছে, পরে মামলা করছে। কতজন লোকের নামে করছে সেটা তো আর আমি জানি না। পরে গিয়া দেখি ভাই কাগজের পিস, কাগজে বলছে ৩০৭ জন। আমি কই—এত আসামি কোত্থেকে আইলো এটার ভিতরে?’

মামলা করার কোনো পরিকল্পনা ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি কি সম্বন্ধে মামলা করতে যামু? যারে আমি না চিনি ভাই, একজনের নামে কি লাইগা আমি ভুয়া কেস করুম?’

মিরাজ বলেন, ‘মানে এই মামলাটা দিছে, এইটা পুরোটা বাণিজ্য করে ফেলাইছে আমার ওপর দিয়ে। আমি তো মনে করেন ফুটপাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতেছি। আর আমারে পুরো বাণিজ্য করে ফেলাইছে মামলাটা দিয়া।’

মিরাজ হোসেন দাবি করেন, এই মামলার আইনজীবী রুবেল নামের একজন। তার দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে অ্যাডভোকেট রুবেল জানান, তিনি এই মামলার আইনজীবী নন। তবে কথোপকথনের এক পর্যায়ে মিরাজকে তিনি চিনতে পারেন। মিরাজ অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হয়েছিলেন, এই তথ্যও জানান তিনি।

ডা. আসাদুজ্জামান ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক, তিনি তো ঢাকা মেডিকেলে, সেনাবাহিনীতে না। মানে হাসপাতাল থেকে তিনি যাত্রাবাড়ীতে বন্দুক নিয়ে তো আর গুলি করতে যাননি। যদি মামলা হত যে ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে কিছু হয়েছে, সেটাও বোঝা যেত। কিন্তু যাত্রাবাড়ী তো বেশ দূরে ঢাকা মেডিকেল থেকে— ডা. রেজোয়ানুর রহমান সোহেল, সভাপতি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), ঢাকা মেডিকেল কলেজ

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এই মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট এসএম ইসমাইল হোসেন। যোগাযোগ করা হলে এসএম ইসমাইল হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, মামলার আসামীদের ব্যাপারে আমি বলতে পারি না, আসলে ওটা বাদী যেভাবে যেভাবে দিয়েছে, সেভাবেই করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি যেভাবে নোট করেছি—আমি বাদীকে জিজ্ঞাসা করেছি যে আপনি যে নামগুলো দিয়েছেন, এরা সম্পৃক্ত আছে কিনা, আপনি আরজিটা পড়েছেন কিনা? আমি লিগ্যাল যেটা আমার দায়িত্ব সেটা করেছি। বাদী বলল, হ্যাঁ, এগুলো সব ঠিক আছে, আমি পড়েছি, দেখেছি, আপনি করেন।

এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু ও মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাজমুল হাসানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভ্যুত্থানের সহযোগীর বিরুদ্ধে জুলাই হত্যা মামলায় হতবাক চিকিৎসকরা
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. আসাদুজ্জামানকে ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ওই দিন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে এই নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, ২০২৪ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সাবেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হকের কাছ থেকে হাসপাতালের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আওয়ামী আমলে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক হলেও চিকিৎসকরা বলছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো বিতর্কিত ভূমিকায় দেখা যায়নি তাকে। এ কারণেই চিকিৎসা খাতের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটির শীর্ষ দায়িত্বশীল থেকেও তাকে অপসারণ করা হয়নি। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে মামলার তথ্য সামনে আসায় উষ্মা প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা।

বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডা. আসাদুজ্জামান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো বিতর্কিত ভূমিকা নেননি। বরং তিনি আহতদের চিকিৎসায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। এমনকি ব্যাপক হারে গুলিবিদ্ধ রোগীরা হাসপাতালে আসতে থাকলে তিনি সকল সার্জারি বিভাগ গানশটের রোগীদের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। এ ছাড়া রোগীদের রক্তের প্রয়োজন মেটাতে চিকিৎসকদের উদ্যোগে গঠিত অস্থায়ী ব্ল্যাডক্যাম্প গঠনেও তিনি সহযোগিতা করেছিলেন।

এমনকি দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন বহু কর্মকর্তা যখন ৩ আগস্ট সারাদেশে শেখ হাসিনার পক্ষে ‘শান্তি সমাবেশ’ আয়োজন করেন, সেটি থেকেও নিজেকে বাঁচিয়ে চলেছেন ঢামেক পরিচালক।

জুলাই আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তীতে আহতদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করেছি। এটা এই হাসপাতালে তৎকালীন কর্মরত সকলেই জানেন। টেন্ডারবাজি করতে না পেরে একটা গ্রুপ আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে— ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. আসাদুজ্জামান, পরিচালক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

ঢাকা মেডিকেল কলেজের জ্যেষ্ঠ একজন অধ্যাপক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, পরিচালক সাহেব আগের সরকারের আমলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পোস্টিং হলেও জুলাই আন্দোলনে চিকিৎসায় ওনার অবদান আছে। ৫ আগস্টের পরেও তিনি আন্তরিকতার সাথে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আপাতভাবে কোন দুর্নীতির সাথে জড়িত নন। একটা গ্রুপ এখান থেকে টেন্ডারসহ অন্যান্য সুযোগ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছেন।

জানতে চাইলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ড্যাবের (ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আমি ঢামেক হাসপাতালে ৫ আগস্টের পরে এসেছি। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরিচালকের বিরূপ ভূমিকার কোনো অভিযোগ কখনো শুনিনি। আমরা বিষয়গুলো পর্যালোচনা করব। যদি কোনো গুরুতর অভিযোগ থাকে, তাহলে অবশ্যই আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাব, আমরা নিজেরা কোনো উদ্যোগ নিতে পারি না। এরকম কোনো এখতিয়ার আমাদের নাই।

মামলার তথ্য জেনে উষ্মা প্রকাশ করে ড্যাবের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি ডা. রেজোয়ানুর রহমান সোহেল দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ডা. আসাদুজ্জামান ঢাকা মেডিকেল কলেজের পরিচালক, তিনি তো ঢাকা মেডিকেলে, সেনাবাহিনীতে না। মানে হাসপাতাল থেকে তিনি যাত্রাবাড়ীতে বন্দুক নিয়ে তো আর গুলি করতে যাননি। যদি মামলা হত যে ঢাকা মেডিকেলের আশেপাশে কিছু হয়েছে, সেটাও বোঝা যেত। কিন্তু যাত্রাবাড়ী তো বেশ দূরে ঢাকা মেডিকেল থেকে।

তিনি বলেন, আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটা স্পেশাল সেল তৈরি করছিল। ওই সেলে দুইজন চিকিৎসক প্রতিনিধি সারা বাংলাদেশের মধ্যে থেকে সিলেক্ট করা হয়েছিল, তার মধ্যে আমি একজন ছিলাম। জুলাই যোদ্ধাদের, আহতদের চিকিৎসা আর কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়—এগুলো নিয়ে সব মিটিংয়েই দেখা যেত রাত ৮টা-৯টা পর্যন্ত যেখানেই হোক আমরা পরিচালক সাহেবকে পেয়েছি।

একই দাবি হাসপাতাল পরিচালকেরও। মামলা এবং মামলার প্রচারণা প্রসঙ্গে জানতে যোগাযোগ করা হলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. আসাদুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তীতে আহতদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করেছি। এটা এই হাসপাতালে তৎকালীন কর্মরত সকলেই জানেন। টেন্ডারবাজি করতে না পেরে একটা গ্রুপ আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ঢামেক পরিচালকের বক্তব্যের সপক্ষে প্রমাণ মেলে। গত ১১ আগস্ট হঠাৎ ডা. আসাদুজ্জামানকে অবরুদ্ধ করেন চিকিৎসকদের একটি অংশ। তারা সম্প্রতি পুলিশে যোগ দেওয়া ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ জাবেদ আহমেদের অনুসারী। ওই দিন পরিচালককে অবরুদ্ধ করা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়ান ওই চিকিৎসকরা। পরে তৎকালীন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। ওই সময় কক্ষে ‘মব’ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন হাসপাতাল পরিচালক।

তবে অভিযোগের বিষয় অস্বীকার করেছেন ডা. মো. জাবেদ। জানতে চাইলে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এসব অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট। আমার সম্মানহানির জন্য অভিযোগ করা হচ্ছে।