০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৩

ভবন নির্মাণে কচ্ছপগতি, শতকোটির ‘অপ্রয়োজনীয়’ বিলাসিতা!

খুলনা এবং ময়মনসিংহ মেডিকেলে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে নির্মাণকাজ  © টিডিসি সম্পাদিত

আধুনিক চিকিৎসাসেবা বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে ৮ বিভাগে শুরু হওয়া ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের কাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি। ৪ বার মেয়াদ ও দুইবার ব্যয় বৃদ্ধির পরও নির্মাণ সম্পন্ন হয়নি একটি ভবনও। তবে এই কচ্ছপগতির নির্মাণপ্রকল্পে অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতায় খরচ হয়ে গেছে প্রায় একশ কোটি টাকা। এরই মধ্যে নতুন করে আবারও সংশোধনী আনা হচ্ছে প্রকল্পটিতে। মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। একই সাথে বাড়ানো হচ্ছে প্রাক্কলিত ব্যয়।

প্রকল্পের তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত ৪ বছর মেয়াদে ৮ বিভাগীয় শহরে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গনে ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই সময় প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩৯ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা। পরে এতে যুক্ত হয় কিডনি ও হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র। ২০২৪ সালে প্রথম সংশোধনীর মধ্য দিয়ে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৪৩৩ কোটি ৫৪ হাজার টাকা। একই সাথে আরও এক দফা মিলিয়ে মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত। এ সময় ব্যয় বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৪৯.৫১ শতাংশ।

জানা গেছে, প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে ক্যান্সার হাসপাতালের শয্যা বাড়িয়ে ১৮২ করা হয়। একই সাথে কিডনি ও ডায়ালাইসিস সেন্টারের জন্য ১৫৬ এবং হৃদরোগ সেন্টারের জন্য শয্যা নির্ধারণ করা হয় ১১২টি। এ নিয়ে ৪৫০ শয্যা করে সারাদেশে ৮টি হাসপাতালে মোট শয্যা সংখ্যা দাঁড়াবে ৩ হাজার ৫৩৪-এ।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্প অভ্যন্তরে স্থান নির্বাচন নিয়ে জটিলতা থাকায় সকল নির্মাণ কার্যক্রম প্রায় এক বছর পর শুরু হয়। এরই মধ্যে আসে কোভিড ১৯-এর প্রকোপ। এতে আবারও বন্ধ হয়ে যায় ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কার্যক্রম। পরে বর্ধিত সময়ের মধ্যে আবারও সংশোধনীর কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্মাণ কাজ ব্যহত হয়েছে। এ ছাড়া এতে ভূমিকা রেখেছে বারবার প্রকল্প পরিচালক পরিবর্তনও, এ পর্যন্ত এই প্রকল্পে ৪ জন প্রকল্প পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন।

এর মধ্যে ভৌত ও নির্মাণ এবং আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম ক্রয়ের মধ্যে ভৌত ও নির্মাণ ছাড়া বাকি দুটির কোনো অগ্রগতি হয়নি। এদিকে পুনরায় ২ বছর সময় বৃদ্ধি করা হলেও এই সময়ের মধ্যে জনবল নিয়োগ, বিশেষায়িত মেশিনারিজ সংগ্রহসহ প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা বেশ কঠিন হবে বলে মনে করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

প্রকল্পের অগ্রগতি কম
৮ বিভাগীয় শহরে ৭ মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস এবং রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নির্মাণ হচ্ছে এসব ভবন। প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি বিভাগে থাকছে দুই তলা বেজমেন্টসহ ১৫ তলাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল। এর মধ্যে বেজমেন্টসহ ৭ তলা পর্যন্ত ক্যান্সার সেন্টার, ৮ থেকে ১১ তলা পর্যন্ত কিডনি সেন্টার এবং অবশিষ্ট ভবনে হবে হৃদরোগ ইউনিট।

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির লেখচিত্র

প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. তৌফিক হাসান ফিরোজ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, এ পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া যন্ত্রপাতি এবং আসবাবপত্র ক্রয়ের বিষয়ে প্রি-একনেক সভা সম্পন্ন হয়েছে। একই সাথে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে পদ সৃজন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১৮ হাজার ৭৬৮টি পদ সৃজনের প্রস্তাবনা দেওয়া হলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় বেশ কিছু সংশোধনী দিয়েছে। ফলে এখনও এটি চূড়ান্ত হয়নি।

ভৌত অবকাঠামো অনেকটাই সম্পন্ন হয়েছে। গড়ে ৭০-৮০ পার্সেন্ট। আর জনবল এবং যন্ত্রপাতি কেনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে কিছু জায়গায় আবার সংশোধনও হয়েছে। সুতরাং হাসপাতালগুলো প্রস্তুত হতে এখনো আরও কিছুটা সময় লাগবে— অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম পামী, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

এদিকে সম্প্রতি রাজস্ব বাজেটের আওতায় প্রকল্পটি নিবিড় পরিবীক্ষণ সমীক্ষা পরিচালনা করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। গত জুনে এই নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

আইএমইডির প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি ৩০.৮১ শতাংশ। আর ভৌত অগ্রগতি ৮১.৪৩ শতাংশ। তবে বর্ধিত সময়ের তুলনায় অগ্রগতি বেশ কম। স্থাপনা নির্মাণে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, সেখানে নির্মাণ অগ্রগতি ৯৭ শতাংশ। আর সবচেয়ে পিছিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মাত্র ৫৩ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের বাস্তব অগ্রগতি ৯৬ শতাংশ। এর বাইরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৮ শতাংশ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৪ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজে ৭১ শতাংশ বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে। সর্বনিম্ন অগ্রগতির ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে ১৩ তলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে। তবে ইতোমধ্যে ঠিকাদারকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

শতকোটির অপচয়, এক বিভাগেই অডিট আপত্তি ১৮ কোটি টাকার
আইএমইডির নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, প্রকল্প শুরুর পর ইতোমধ্যে ৮ অর্থবছরের ৫টিতে অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। ২০১৮-১৯, ২০২৪-২৫ এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অডিট কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়নি। এর মধ্যে কেস স্টাডি হিসেবে দুই অর্থবছরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৮ কোটি টাকার দুটি অডিট আপত্তির তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

অডিট আপত্তির তথ্য অনুযায়ী, হস্ত রশিদের মাধ্যমে ঠিকাদারের অগ্রিম ১০ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা দেওয়ায় ২০২২-২৩ সালে একটি এবং নির্ধারিত সময়ে কার্যসম্পাদনের ব্যর্থ হওয়ায় ঠিকাদারের এলডি কর্তন না করায় পরের অর্থবছরে ৮ কোটি ২৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৯৬২ টাকার আরেকটি আপত্তি উত্থাপিত হয়। ইতোমধ্যে এসব আপত্তির বিএসআর জবাব দেওয়া হলেও এখনও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়নি।

কাজগুলো সবই হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের। আমি নিজেই আইএমইডিকে বলেছিলাম যেন একটা সার্ভে করে। তার প্রেক্ষিতেই এই পরিবীক্ষণ। অডিট আপত্তি ও পর্যবেক্ষণের বিষয়গুলো গণপূর্ত অধিদপ্তর ভালো বলতে পারবে— অধ্যাপক ডা. তৌফিক হাসান ফিরোজ, প্রকল্প পরিচালক

এ ছাড়া ৮ হাসপাতালের ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে আইএমইডি বলছে, ভবনগুলোর ডিজাইন দৃষ্টিনন্দন হলেও কিছু ক্ষেত্রে অর্থের অপচয় করা হয়েছে। যেমন মেঝে ও দেয়ালে ব্যয়বহুল গ্রানাইট পাথর ব্যবহার, অর্নামেন্টাল ফলস ওয়াল কিংবা বাইরের দেয়ালে ফলস ব্রিক টাইলস ব্যবহার। একটি সরকারি হাসপাতালে এত অধিক হারে গ্রানাইট ব্যবহার কোনোভাবেই প্রয়োজনীয় ছিল না বলেও উল্লেখ করেছে আইএমইডি। এ ছাড়া ফলস ওয়াল ফ্রেম ব্যবহারও অপ্রয়োজনীয়। আইএমইডি বলছে, এতে প্রায় ১০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে সার্বিক অগ্রগতি মাত্র ৫৩ শতাংশ

সরেজমিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন পর্যালোচনায় আইএমইডি বলছে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে মার্বেল, ফেসিং ব্রিক, টাইলস এবং অন্যান্য ফিনিশিং কাজ চলমান। পরিদর্শনকালে ভবনটির বেশ কয়েকটি স্থানে ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয়েছে। এর মধ্যে ঢালাইতে জয়েন্ট থাকা এবং ফিনিশিং ভালো না হওয়া, দেয়ালে গাঁথুনি, হলো ব্লকের মান ও শেপ সন্তোষজনক নয়।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রকল্পের ১৫ তলা ভবনের ১৩ তলা পর্যন্ত ছাদ ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কাজের মান ও অগ্রগতিতে ঠিকাদারের গাফিলতি ও দুর্বলতা ছিল বলে মন্তব্য করেছে আএমইডি। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ব্যাংকিং সেক্টরে ধসের ফলে ব্যাংক থেকে ঋণ না পাওয়ায় ঠিকাদার কাজ চালিয়ে নিতে অপারগত প্রকাশ করেন। ফলে এর কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। গণপূর্ত অধিদপ্তরের রেট সিডিউল বৃদ্ধি পাওয়ায় এই খাতের বর্ধিত ব্যয় অনুমোদন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে প্রকল্পটি ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ সেন্টারে পরিবর্তনের সময় নিচের ৭ তলা ক্যান্সার, তার ১১ তলা পর্যন্ত কিডনি এবং ১২ তলা থেকে ১৫ তলায় হৃদরোগ সেন্টার রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আইএমইডি বলছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্প ও উন্নয়ন বিভাগ এই প্রকল্প প্রণয়নে দুর্বলতা ও সিদ্ধান্তহীনতা দেখিয়েছে। দেরিতে প্রকল্পে পরিবর্তন আনায় সময় এবং খরচের ক্ষতি হয়েছে। প্রকল্প প্রণয়নের সময় ডিজাইন নিয়ে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা করা হয়নি। হৃদরোগকে জরুরি বিবেচনায় না নিয়ে কার্ডিয়াক সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে উপরের তলায়। এতে অনেক রোগীকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদানে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. তৌফিক হাসান ফিরোজ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রজেক্টের তিনটা ধাপ। এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রায় ৭০ ভাগের মতো কমপ্লিট হয়েছে। আর যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ক্রয়ের বিষয়ে প্রি-একনেক মিটিং হয়েছে, ওখানেও বেশ কিছু অবজারভেশন দেওয়া হয়েছে। আমরা সেগুলো পূরণ করে দ্রুতই মন্ত্রণালয়ে সাবমিট করব। ওখানে পাস হলে তারপরে আমরা প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে পারব। এসব বিভিন্ন কারণে ২০২৮ পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেছি। একনেকের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছি। একই সাথে আমাদের ব্যয় বাড়বে। কারণ প্রকল্প হাতে নেওয়ার সময় ডলারের মূল্য ছিল ১০৯ টাকা, এখন ১২৩ টাকা। ফলে ১২ থেকে ১৩ পার্সেন্ট ব্যয় অটোমেটিক্যালি চলে আসছে।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, প্রাথমিকভাবে ১৮ হাজার ৭৬৮টি পদ সৃজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে পদ সৃজন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেশ কিছু কারেকশন দেওয়া হয়েছে। ওটা কমপ্লিট হলে তারপরে জনপ্রশাসন যাবে, তারপরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদনের বিষয় রয়েছে। ওইগুলো আপনার আসলে সংশোধন হবে।

তবে সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির পরিমাণ বলতে রাজি হননি ডা. তৌফিক হাসান ফিরোজ। অডিট আপত্তি এবং আইএমইডির পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কাজগুলো সবই হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের। আমি নিজেই আইএমইডিকে বলেছিলাম যেন একটা সার্ভে করে। তার প্রেক্ষিতেই এই পরিবীক্ষণ। এ বিষয়গুলো গণপূর্ত অধিদপ্তর ভালো বলতে পারবে।

এসব বিষয়ে জানতে গণপূর্ত অধিদপ্তরে গিয়েও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (স্বাস্থ্য উইং) মো. শহিদুল আলমের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম পামী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ভৌত অবকাঠামো অনেকটাই সম্পন্ন হয়েছে। গড়ে ৭০-৮০ পার্সেন্ট। আর জনবল এবং যন্ত্রপাতি কেনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে কিছু জায়গায় আবার সংশোধনও হয়েছে। সুতরাং হাসপাতালগুলো প্রস্তুত হতে এখনো আরও কিছুটা সময় লাগবে।