২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫২

এক হাসপাতালের পিকআপভর্তি সরকারি ওষুধ নদীতে ফেলার সময় চালক আটক

এক পিকআপে পাওয়া গেছে ১৮ বস্তা ওষুধ  © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলার সময় পিকআপ চালক আটক হয়েছেন। গতকাল বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে ঘাটাইলের পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভূঞাপুরে এই ঘটনা ঘটে। পরে ১৮ বস্তা ওষুধ ও পিকআপসহ চালককে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাতে একটি পিকআপ ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ নিয়ে যমুনা নদীর তীরে আসেন চালক। ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতিকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা পিকআপটি আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকসহ পিকআপটি থানায় নিয়ে আসে।

আটক পিকআপ চলক ও মালিক আজমতের দাবি, পিকআপ ভর্তি ওষুধগুলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সরকারি হাসপাতালের। এর আগেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি দাবি করেন, সে সময় ঘাটাইলের বনাঞ্চলের গভীরে নিয়ে ওষুধগুলো ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও একইভাবে ওষুধগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানান, ঘাটাইল হাসপাতালের মেয়াদোত্তীর্ণ এক মিনিট্রাক ভর্তি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলে দেয়ার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে আটক করে। এ ব্যাপারে আমি জেলা সিভিল সার্জনকে অবহিত করেছি। বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) আবু নাইম সোহেল জানান, এতগুলো ওষুধ নদীতে ফেলতে নিয়ে গেছে, বিষয়টি আমি জানি না। তবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, আসল ঘটনাটি বের হয়ে আসবে।