করোনায় চিকিৎসা সামগ্রীর অর্থ আত্মসাৎ, সাবেক সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা
করোনা মহামারীর সময় প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচার সামগ্রী (এমএসআর) ক্রয় না করে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় চাকরি হতে বরখাস্ত করা হবে না কেন, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশও জারি করা হয়েছে।
সম্প্রতি স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
তথ্য বলছে, ডা. এ এস এম মারুফ হাসান চুয়াডাঙ্গায় সিভিল সার্জন পদে কর্মরত থাকাকালে তার বিরুদ্ধে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের করোনা ভাইরাসের মহামারীর ওষুধ এবং এমএসআর সামগ্রী না কিনে কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) ও (ঘ) মোতাবেক অসদাচরণ ও দুর্নীতি হিসেবে গণ্য।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, আপনাকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩ (খ) ও (ঘ) মোতাবেক অসদাচরণ ও দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হল এবং কেন আপনাকে উক্ত বিধিমালার অধীনে চাকরি হতে বরখাস্তকরণ অথবা কোনো উপযুক্ত দণ্ড প্রদান করা হবে না, সে বিষয়ে এ নোটিশ প্রাপ্তির ১০ কর্মদিবসের মধ্যে স্বাক্ষরকারীর নিকট কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো। একইসঙ্গে, আপনি ব্যক্তিগত শুনানি চান কিনা তাও লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ প্রদান করা হলো।
জানা গেছে, ডা. মারুফ হাসান এর আগে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত উপ-পরিচালক, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এবং মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে বর্তমানে তার কর্মস্থল সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।