০৯ জুন ২০২৬, ২০:৩৯

চিকিৎসকদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদ, সাংবাদিকের ক্ষমা প্রার্থনার দাবি

বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির লোগো  © সংগৃহীত

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইভ টকশোতে চিকিৎসকদের পেশা ও মর্যাদা জড়িয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগে প্রবীণ সাংবাদিক মাসুদ কামালের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতি (OSB)। একই সাথে তাকে তার অবমাননাকর উক্তি প্রত্যাহার করে দেশের সমগ্র চিকিৎসক সমাজের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
 
​মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির সভাপতি ডা. মো. তৌহিদুর রহমান এবং মহাসচিব অধ্যাপক মো. জিন্নুরাইন (নিউটন) স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

​বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইভ টকশো অনুষ্ঠানে প্রবীণ সাংবাদিক মাসুদ কামাল চিকিৎসকদের পেশা ও মর্যাদা জড়িয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর, উসকানিমূলক এবং কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, যা বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তার এই দায়িত্বজ্ঞানহীন ও শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্যে দেশের সমগ্র চিকিৎসক সমাজ গভীরভাবে মর্মাহত, ক্ষুব্ধ ও চরমভাবে অসম্মানিত বোধ করছে। বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতির পক্ষ থেকে এই ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তির তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে।
 
​এতে আরও উল্লেখ করা হয়, চিকিৎসকেরা দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত থাকেন। যেকোনো মহামারি কিংবা দুর্যোগে নিজেদের জীবন বাজি রেখে যারা ফ্রন্টলাইনার হিসেবে কাজ করেন, তাদের প্রতি একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের কাছ থেকে এমন অশালীন ও অবমাননাকর শব্দ চয়ন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

​সংগঠনটি মনে করে, গণমাধ্যমের মতো একটি দায়িত্বশীল জায়গায় বসে চিকিৎসকদের ‘চামার’ বলে আখ্যায়িত করা সাংবাদিকতার ন্যূনতম নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের পরিপন্থী। এই ধরনের বক্তব্য কেবল চিকিৎসকদের মানহানিই করে না, বরং সাধারণ মানুষের মনে চিকিৎসকদের প্রতি অনাস্থা তৈরি করে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে এক চরম অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেয়।
 
​বাংলাদেশ চক্ষু চিকিৎসক সমিতি (OSB) সাংবাদিক মাসুদ কামালের এই কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করার এবং দেশের চিকিৎসক সমাজের কাছে দ্রুত নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।