০২ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৪৯

বিশ্ব চক্ষু সম্মেলন: সম্মিলিতভাবে অন্ধত্ব নিরসনের অঙ্গীকার স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর

বিশ্ব চক্ষু সম্মেলনে কী-নোট উপস্থাপন করছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত  © স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্ব চক্ষু সম্মেলনে সম্মিলিতভাবে অন্ধত্ব নিরসনের অঙ্গীকার করছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত।  বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা নিরসন এবং চক্ষু স্বাস্থ্যের  উন্নয়নের লক্ষ্যে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে তিন দিনব্যাপী এই ‘বিশ্ব চক্ষু সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কী-নোট স্পিকারের বক্তব্যে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

গত ৩১ মার্চ থেকে আজ ২ এপ্রিল পর্যন্ত চলা এই বৈশ্বিক সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চক্ষু ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এমএ মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল‌ অংশ নেয়। সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত মূল প্রবন্ধ (কি-নোট স্পিচ) উপস্থাপন করেন। বক্তব্যে তিনি আগামী দিনে বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্যের টেকসই উন্নয়নে সকল পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশে চক্ষু সেবার অগ্রগতি এবং বিশ্বজুড়ে এই খাতের উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন। সম্মেলনের আয়োজক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস’ (আইএপিবি)। তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার এবং আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর একটি শক্তিশালী ফোরাম।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে এই সংস্থাটি ডা. এম এ মুহিতকে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আই হেলথ হিরো’ হিসেবে নির্বাচিত করেছিল।

পেশাগত জীবনে একজন চক্ষু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুহিত গত ২৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অন্ধত্ব নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণ বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্য নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে।