১৩ মার্চ ২০২৬, ২২:২২

জান দেব, জুলাই দেব না— সনদ বাস্তবায়নের লড়াইয়ে ছাড় নয়: এমপি আরমান

বুয়ামার ইফতারে প্রধান অতিথি ছিলেন এমপি মীর আহমদ বিন কাসিম আরমান  © টিডিসি ছবি

ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসিম আরমান বলেছেন, অতীতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় যাওয়া কোনো সরকারই বিরোধী দলের সঙ্গে ভাল আচরণ করেনি, তবে এখনও পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এরপরও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় মীরপুরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের সম্মানে বাংলাদেশ ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বুয়ামা) উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও জামায়াতপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের (এনডিএফ) ঢাকা মহানগর উত্তরের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ডা. মোখলেসুর রহমান।

অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. তাওহিদ আল বেরুনীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ডা. মঈন উদ্দিনের সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন ডা. এএইচ মঈনুদ্দিন আহমেদ জিলানী, ডা. মকবুল হোসেন মিন্টু ও ডা. হাসান আল বান্না প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার আরমানের  কাছে ১০ দফা দাবি-দাওয়া সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেন সংগঠনটির নেতারা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার আরমান বলেন, অতীতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে কোনো সরকারই বিরোধী দলের সঙ্গে ভাল আচরণ করেনি। তবে এখনও পর্যন্ত আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তারপরেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আমরা পিছপা হব না। জান দেব, জুলাই দেব না ইনশাআল্লাহ।

এ সময় ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এমপি আরমান। তিনি বলেন, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন আমার বাবারও ছিল। আমিও এই স্বপ্ন দেখি।

ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, চিকিৎসকদের একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করার জন্য, তাদের একক নেতৃত্ব ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য অল্টারনেটিভ কেয়ারকে (ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থা) অবহেলা করছে। সময়ের ব্যবধানে যে অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা, আমরা দেখেছি কিছুটা আগানোর পর সেটিকে পুনরায় টেনে ধরে শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থার ক্ষতি সাধন নয়, মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক পদ্ধতি হাজার বছরের পুরনো চিকিৎসা পদ্ধতি। কিন্তু এর আনুষ্ঠানিক কোনো স্বীকৃতি সরকার দিচ্ছে না। এখন পর্যন্ত কাউন্সিল গঠন হয়নি। ফলে ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের সুরক্ষা আইন ও কাউন্সিল অনুমোদন না হওয়ায় চিকিৎসকদের বারবার হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এ চিকিৎসা পদ্ধতি কার্যকরের কোনো অভিপ্রায় কোনো সরকারের পক্ষ থেকে লক্ষ্য করা যায়নি।

তারা বলেন, সরকারি ইউনানী কলেজের প্রথম ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থী রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছিলেন। এরপরের ব্যাচগুলো থেকে আর কেউ রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি। উপরন্তু যে প্রকল্পের অধীনে তারা চাকরি পেতেন, সেই প্রকল্প এখন বন্ধ। ফলে চিকিৎসকরা হতাশাগ্রস্ত।

ক্ষুব্ধ ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা বলেন, উন্নত বিশ্বেও অল্টারনেটিভ মেডিসিন স্বীকৃত। শুধু বাংলাদেশে একটি স্বার্থান্বেষী মহল এ পদ্ধতিকে অবহেলা করে এর পথকে সঙ্কীর্ণ করে তুলেছে। যদি আপনারা এ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি না দেন, তাহলে ‍এটাকে বন্ধ করে দিন।

১০ দফা দাবিতে স্মারকলিপি
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসিম আরমানকে দেওয়া স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইউনানী অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বুয়ামা) দেশের ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র রেজিষ্ট্রার্ড জাতীয় সংগঠন। বিগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী ছাত্র-জনতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, আহত ও শহীদ পরিবারের প্রতি সহানুভুতি প্রকাশ করছি। ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থেকে রাজপথে আমাদের ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকগণ ভুমিকা পালন করেছে এবং আহত ভাই-বোনদের চিকিৎসা সেবা, রক্তদান এবং পরিবারের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করেছে এবং এখনও করছে।

এতে বলা হয়, সকলের জন্য স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং চিকিৎসা সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিরাজমান সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা সেক্টর প্রকল্পের আওতায় অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার পাশাপাশি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকগণ কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৩৯৬ জন মেডিকেল অফিসার কর্তৃক প্রায় ৩০% রোগী স্বল্প মুল্যে চিরায়ত ঐতিহ্যবাহী এই চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বিগত দুর্নীতিবাজ ফ্যাসিস্ট সরকার গত দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দূর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধমে মেধাহীন চিকিৎসক নিয়োগ প্রদান করে চরম অব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের এই ঐতিহ্যবাহী সেক্টরকে ধ্বংশের দারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। অসীম সম্ভাবনাময় এই সিস্টেমকে বাঁচাতে এখনই আপনার মতো একজন যোগ্য নেতৃত্বের আশু পদক্ষেপ অতীব জরুরি।

এমপি আরমানের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন ডাইরেক্টরের নেতৃত্বে অপ্রতুল জনবল দ্বারা সম্ভাবনাময় এই সেক্টরটি পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত স্নাতক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি সরকারী ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে প্রতি বছর ৫০ জন ইউনানী ও ৫০ জন আয়ুর্বেদিক ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়ে ৫ বছর একাডেমিক কার্যক্রম এবং কলেজ সংলগ্ন ১০০ বেডের হাসপাতালে এক বছর ইন্টার্নশিপ সমাপনান্তে বিএএমএস ও বিইউএমএস ডিগ্রি অর্জন করে এমবিবিএস চিকিৎকদের ন্যায় চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন। এছাড়া ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে প্রতিদিন শত শত রোগী তুলনামূলক পার্শ্ব পতিক্রিয়া কম দেশীয় চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন। সিলেটে আরও একটি সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে ডিপ্লোমা পর্যায়ে ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হতে পারেন এবং সংলগ্ন বহির্বিভাগ হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন ১০০ জন রোগী স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করে থাকেন। কলেজটি স্নাতক পর্যায়ে উন্নীত করা হলেও এখনও কার্যক্রম শুরু হয়নি। এ ছাড়াও দেশে বেসরকারি পর্যয়ে ৩টি স্নাতক মানের মেডিকেল কলেজ রয়েছে। বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের অধীনে ২৬টি কলেজে ডিপ্লোমা ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বর্তমানে দেশের অধিকাংশ বড় বড় অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ কোম্পানীগুলোতে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হারবাল মেডিসিন উৎপাদিত হচ্ছে উল্লেখ করে বলা হয়, উৎপাদিত ঔষধের অধিকাংশ কাঁচামাল দেশেই উৎপন্ন হওয়ায় স্বল্প খরচে মানসম্পন্ন ঔষধ দ্বারা স্বাস্থ্য সেবায় ভুমিকা রাখছে এবং এই ঔষধ দেশের বাইরেও রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে।

এতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ইউনানী ও আয়ুর্বেদ সংশ্লিষ্ট উচ্চ পদগুলো অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় আমরা চরম বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। অথচ চীনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাদের ট্রেডিশনাল মেডিসিন দপ্তরগুলো, মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সকল পর্যায়ে আলাদা উইংয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় সেক্টরটি আলাদা ও স্বয়ংসম্পুর্ন স্বাস্থ্য সেক্টরে পরিনত হয়েছে। এমতাবস্থায় স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা, শিক্ষা ও গবেষণা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি পৃথক স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করে নিম্নলিখিত সংস্কার প্রস্তাব পেশ করছি—

১. বাংলাদেশ ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন: ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক ডাক্তারদের সুরক্ষার জন্য কোন আইন না থাকায় শত শত চিকিৎসকদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এই আইনটি মন্ত্রিপরিষদে খসড়া অনুমোদন শেষে আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ভেটিং সম্পন্ন হলেও বিগত সরকারের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ১৪ বছরেও চুড়ান্ত অনুমোদন হয়নি, যা স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের প্রক্রিয়াধীন। আইনটি দ্রুত চূড়ান্ত অনুমোদনসহ গেজেট প্রকাশ করার জোর দাবি করছি।

২. জনবল সংক্রান্ত: স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা (এইচএনএসপি) সেক্টরের আওতায় অল্টানেটিভ মেডিকেল কেয়ার (এএমসি) প্রকল্পে ১০ বছর যাবত কর্মরত ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা রাজস্বখাতে স্থানান্তর না হওয়ায় চরম মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। তাই প্রকল্পের জনবল রাজস্ব খাতে স্থানান্তর প্রস্তাব (স্বাস্থ্য সেবার প্রকল্প বাস্তবায়ন-১ শাখায় রয়েছে) অনুমোদনের দাবি করছি।

৩. স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা সেক্টর (এইচএনপিএসপি) প্রকল্পের আওতায় অল্টারনেটিভ মেডিকেল কেয়ার শীর্ষক অপারেশন প্ল্যানের অধীনে ২০১৪ সালের জুলাই মাসের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবী প্রার্থীদের (তথ্য কমিশন ও আদালত কর্তৃক প্রমাণিত) বাদ দিয়ে দুর্নীতির মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্ট ব্যক্তিদেরকে পদ খালি রেখে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ বৈষম্যে শিকার মেধাবী চিকিৎসকদেরকে দ্রুত চাকরির ব্যবস্থা করা।

৪. স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার জন্য পৃথক পরিচালক দপ্তর থাকলেও সেখানে উচ্চ পদে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক দ্বারা পরিচালনা করায় ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এ পদসমুহে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের পদায়ন করার প্রস্তাব করছি।

৫. বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে (বিএমইউ) অনুমোদিত অল্টারনেটিভ মেডিসিন ফ্যাকাল্টি চালু করা এবং সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঢাকায় স্নাতোকত্তর ডিগ্রি চালুকরণের জন্য প্রস্তাব করছি।

৬. বাংলাদেশ কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে বিএএমএস ও বিইউএমএস চিকিৎসক নিয়োগ প্রদানের জন্য জোর দাবি করছি।

৭. চীন, শ্রীলংকা ও ভারতের ন্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার জন্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সেল বা উইং চালু করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।

৮. প্রতিটি বিভাগে একটি করে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক স্নাতক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার দাবি করছি।

৯. অপচিকিৎসা রোধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।

১০. ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক সিস্টেমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য দেশে বিদেশে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ (স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী) গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।