১২ মার্চ ২০২৬, ১৭:৫৭

শিশুদের কিডনি রোগ সচেতনতায় পিএনএসবির বর্ণাঢ্য র‍্যালি

শিশুদের কিডনি রোগ সচেতনতায় পিএনএসবির বর্ণাঢ্য র‍্যালি  © সংগৃহীত

বিশ্ব কিডনি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শিশুদের কিডনি স্বাস্থ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ক্যাম্পাসে র‍্যালি ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের (পিএনএসবি) উদ্যোগে মঙ্গলবার (১২ মার্চ) বিএমইউর বি ব্লকের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএমইউর রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।

দিবসটি উপলক্ষে পিএনএসবি শিশুদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা এবং রক্তচাপ পরিমাপের গুরুত্ব সম্পর্কে অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচির আয়োজন করে। পাশাপাশি শিশুদের জন্য বিনামূল্যে রক্তচাপ পরিমাপ কর্মসূচিও পরিচালনা করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘সুস্থ কিডনি সকলের তরে, মানুষের যত্নে বাঁচাও ধরনীরে।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা কিডনি রোগ প্রতিরোধ এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত প্রয়োজন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, শিশুদের অপরিণত কিডনি অনেক সময় অভিভাবকদের অসচেতনতা বা বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাই শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সমাজ ও পরিবেশকে শিশুদের জন্য আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও উপযোগী করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, একটি শিশুর কিডনি যেন মায়ের গর্ভাবস্থা থেকেই সুস্থভাবে বিকশিত হয়, সেজন্য গর্ভকালীন সময়ে মায়ের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। জন্মের পর শিশুর সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে বেড়ে ওঠাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত গরমে শিশুদের শরীরে পানিশূন্যতা যেন না হয় সে বিষয়ে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে ডায়রিয়া বা বমির মত সমস্যায় দ্রুত পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

অনুষ্ঠানে পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি প্রফেসর ডা. আফরোজা বেগম, সেক্রেটারি জেনারেল ডা. কবির আলম, জয়েন্ট সেক্রেটারি ডা. সৈয়দ সাইমুল হক, উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. সালমা জাহানসহ সংশ্লিষ্ট ফ্যাকাল্টির শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।