১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৫৮

বদলে যাচ্ছে এক মন্ত্রণালয়ের নাম

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ  © সংগৃহীত

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। রবিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান।

এছাড়া বৈঠকে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে আগারগাঁও পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে।

জানা গেছে, ৩২ একর জমিতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন সচিবালয় নির্মাণের নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১২ তলা ভবন নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। 

তবে আগারগাঁওয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনায় আপত্তি তুলেছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তাদের আশঙ্কা, বড় স্থাপনা নির্মাণে ওই এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, সচিবালয়ে জায়গার সংকট, অপর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং, ভবনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা এবং জলাবদ্ধতার মতো সমস্যার কারণে স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর আবদুল গনি রোডের ১৭ দশমিক ৫৭ একর জমিতে আটটি ভবন ও তিনটি টিনশেডে চলছে ৩৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কার্যক্রম। অথচ সচিবালয়ে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা এক হাজারেরও কম। বিপরীতে গাড়ি প্রবেশের অনুমতিপত্র বা স্টিকার দেওয়া হয়েছে প্রায় ১০ হাজার। ফলে সচিবালয়ের ভেতরে ও আশপাশের সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ অবশ্য নতুন নয়। স্বাধীনতার পর থেকেই শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরে সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসে বিদ্যমান সচিবালয়েই একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হয়।