২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪২

গ্যাসের বাজারে নজর, দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা: জাহেদ উর রহমান

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান  © সংগৃহীত

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কেউ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আজ সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি একথা বলেন। 

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এলপিজির সরবরাহ বা মজুদ থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখা গেছে। এ বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ অবৈধ মজুদদারি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন কি না, তা নিয়ে সরকার কড়া নজর রাখছে।’

তিনি বলেন, ‘এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ বা মজুদ থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও দাম বাড়ানোর একটি প্রবণতা দেখা গেছে, যা নিয়ে মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন অবৈধ মজুদদারি করে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করেন, সে বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এর প্রেক্ষিতে অপারেটরগণও মন্ত্রীকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টির ওপর কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দেশের বাজারে বর্তমানে এলপিজির সরবরাহ নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে এলপিজি আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ ঘাটতির কথা জানা গেছে।

এ সুযোগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফলে খুচরা বাজারে রান্নার গ্যাসের দাম দুই হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

বিইআরসি নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। তবে বর্তমানে কোথাও কোথাও একই সিলিন্ডার ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে বাড়তি খরচের চাপ সামলাতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তাদের।