১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:০৫

পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশে নতুন শঙ্কা!

নবম পে-স্কেল  © ফাইল ছবি

নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট জারির সময় একাধিকবার পেছানো হয়েছে। নতুন করে সম্ভাব্য একাধিক সময় আলোচনায় থাকলেও আইবাস প্লাস প্লাস সফটওয়্যারের জটিলতার কারণে গেজেট জারি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও েএ জটিলতা নিরসন করে দ্রুতই পে-স্কেলের গেজেট জারি হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নবম জাতীয় পে-স্কেলের বেসিক বৃদ্ধির বিষয়টি তিন ধাপে কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ধাপে ধাপে বেসিক বৃদ্ধির ফলে আইবাস প্লাস প্লাস সফটওয়্যারে ভগ্নাংশের হিসেব নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোয় বেসিকের ফিক্সেশন করতেও কিছুটা দেরি হচ্ছে। এর ফলে গেজেট জারি হলেও তা কার্যকর করতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য কিছুটা বিলম্বে পে-স্কেলের গেজেট জারির পক্ষে মত দিচ্ছেন কিছু কর্মকর্তা।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘গেজেট জারির জন্য কার্যক্রম চলছে। তবে ধাপে ধাপে বেসিক বৃদ্ধির কারণে পে-ফিক্সেশনও ধাপে ধাপে করতে হবে। এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। বিষয়টি কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।’

পে-স্কেলের গেজেট কবে জারি করা হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পে-স্কেলের গেজেট আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ফিক্সেশন কয় ধাপে করা হবে সেই জটিলতা এখনো কাটেনি। আশা করছি দ্রুতই সবকিছুর সমাধান হবে।’

জানা গেছে, সরকারি কর্মচারীদের অনলাইন বেতন নির্ধারণী ব্যবস্থায় জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের সুযোগও রয়েছে। এর মধ্যে পদ, গ্রেড, মূল বেতন, চাকরিতে যোগদানের তথ্য, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তথ্য পূরণ ও যাচাই হয়ে গেলে নতুন পে-স্কেলের কাঠামো অনুযায়ী মূল বেতন ও প্রযোজ্য ভাতা কত হবে, তা সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ হয়ে যাবে।

এর ফলে প্রত্যেক কর্মচারী নিজের তথ্যের ভিত্তিতে নতুন বেতন কাঠামোয় তার আর্থিক অবস্থান জানতে পারবেন। আইবাস প্লাস প্লাস-এর বর্তমান ব্যবস্থায়ও অনলাইন বেতন বিল, জিপিএফ, ঋণ ও আয়কর-সংক্রান্ত হিসাব তৈরি এবং বেতন-পেনশন ইএফটির মাধ্যমে দেওয়ার সুবিধা রয়েছে। নবম পে-স্কেলে গ্রেড, মূল বেতন, ভাতা, পদোন্নতি, ইনক্রিমেন্ট ও বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারীর জন্য আলাদা বিধান থাকায় বিদ্যমান সফটওয়্যারকে নতুন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হচ্ছে। এছাড়া তিন ধাপে পে-স্কেল কার্যকর হলে পে-ফিক্সেশনও তিনবার করতে হবে। এজন্য পে-স্কেলের সামগ্রিক কার্যক্রমে বিলম্ব হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।