০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫

নতুন পে স্কেলে বিসিএস ক্যাডারসহ প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক বেতন কত হবে?

নবম জাতীয় পে-স্কেল  © ফাইল ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন পে-স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আলোকে বিসিএস ক্যাডারসহ প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক বেতনসহ অন্যান্য সুবিধা দ্বিগুন হবে। ২০২৮ সালে এর পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা পাবেন তারা।

দীর্ঘ আলোচনা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকার। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন গ্রেডের বেতন পুননির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। এরপর আলোচনা শেষে নতুন পে-স্কেলে গ্রেড-১-এর বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

পে স্কেলে প্রথম থেকে নবম গ্রেডের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা শতভাগ বাড়বে। এ ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে গত জুলাই থেকে মূল বেতনের ৪০ শতাংশ কার্যকর হবে। আর ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশ এবং জুলাই থেকে তৃতীয় ধাপে বাকি ৩০ শতাংশ মূল বেতন বাড়বে। আর বাড়িভাড়াসহ সব ভাতার সুবিধা যোগ হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

নবম গ্রেডে যোগ দেওয়া একজন বিসিএস ক্যাডারসহ প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারা পুরোনো কাঠামোয় মূল বেতন পেতেন ২২ হাজার টাকা। নতুন বেতন কাঠামোর আলোকে প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, তাদের মূল বেতন প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বাড়বে, হবে ৩০ হাজার ৮০০ টাকা। দ্বিতীয় ধাপে ৩০ শতাংশ বা ৬ হাজার ৬০০ টাকা যোগ হয়ে ৩৭ হাজার ৪০০ টাকা হবে। 

আরও পড়ুন: নতুন পে স্কেলে প্রাথমিকের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন কত হবে?

আর তৃতীয় ধাপে ২০২৭ সালের জুলাই থেকে ৬ হাজার ৬০০ টাকা বৃদ্ধি পেলে তাদে মূল বেতন হবে ৪৪ হাজার টাকা। এ সময়ে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা আগের বেতনকাঠামো অনুযায়ী পাবেন তারা। ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন হারে ভাতা পাবেন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, ঢাকায় কর্মরত নবম গ্রেডের নতুন কর্মকর্তারা মূল বেতন ৪৪ হাজার টাকার সঙ্গে ৫০ শতাংশ বাড়িভাড়া হিসেবে ২২ হাজার টাকা পাবেন। এর সঙ্গে চিকিৎসা, শিক্ষাসহায়ক, উৎসব ও অন্যান্য ভাতা মিলিয়ে তখন মোট বেতন-ভাতা ৭০ হাজার টাকা হতে পারে। 

নিয়মিত ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে নবম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা পর্যন্ত হবে। তবে এসব হিসাব চূড়ান্ত নয়। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে এ হিসাব আরও স্পষ্ট হবে।