০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০০

নতুন পে স্কেলে প্রাথমিকের প্রধান ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন কত হবে?

পে স্কেলে বেতন-ভাতা দ্বিগুন হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষকদের  © টিডিসি সম্পাদিত

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (৩১ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন পে-স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এর আলোকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা অনেক বাড়ছে। ২০২৮ সালে তাদের বেতন-ভাতা হবে দ্বিগুনেরও বেশি।

দীর্ঘ আলোচনা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার পর নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন গ্রেডের বেতন পুনর্র্নিধারণের প্রস্তাব করা হয়। এরপর আলোচনা শেষে নতুন পে-স্কেলে গ্রেড-১-এর বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডে বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ঘোষিত পে স্কেল অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। এই গ্রেডে পুরোনো পে স্কেলে মূল বেতন ১১ হাজার টাকায় শুরু হতো। নতুন কাঠামোয় শুরু হবে ২৪ হাজার টাকায়। চাকরির শেষ দিকে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হয়ে মূল বেতন সর্বোচ্চ ৫৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

নতুন বেতনকাঠামোয় ২০২৮ সালে একজন সহকারী শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা ৪০ হাজার টাকা হবে। পুরোনোদের ক্ষেত্রে তা বেশি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে। সব ধাপ বাস্তবায়িত হলে তাঁদের মোট বেতন–ভাতা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকেরা এখন দশম গ্রেডে বেতন পান। চাকরির শুরুতে এই গ্রেডে পুরোনো মূল বেতন ছিল ১৬ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় শুরু হবে ৩২ হাজার টাকায়। ইনক্রিমেন্টের মাধ্যমে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা হবে।

আরও পড়ুন: এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা-কর্মচারীরাও পাচ্ছেন পে-স্কেল, কার বেতন কত বাড়ছে

প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে ১৬ হাজার টাকা থেকে হবে ২৪ হাজার টাকা হবে ‍মূল বেতন। দ্বিতীয় ধাপে ২৫ শতাংশ বাড়লে ৪ হাজার টাকা যোগ হয়ে ২৮ হাজার টাকা হবে। আর তৃতীয় ধাপে আরও ৪ হাজার টাকাসহ মূল বেতন হবে ৩২ হাজার টাকা। ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য ভাতা যুক্ত হলে এই গ্রেডের একজন প্রধান শিক্ষকের প্রারম্ভিক বেতন-ভাতা ৫০ হাজার টাকার বেশি হবে।

নতুন চাকরিজীবীদের তুলনায় পুরোনোদের ক্ষেত্রে এ হিসাব অন্যরকম হবে। অর্থ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করলে এ হিসাব আরও স্পষ্ট হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের ৮০ শতাংশ সহকারী শিক্ষকরা পদোন্নতি পান। আর ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগ হয়।