৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৬

জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অতিরিক্ত দায়িত্বে হুমায়ুন কবির

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির  © টিডিসি সম্পাদিত

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে দেশের বাইরে অবস্থান করবেন। সে সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও অন্যান্য সব বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সহায়তা করবেন। 

রবিবার (৩০ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী প্রতিমন্ত্রীদ্বয়ের নিকট অর্পিত নির্দিষ্ট দায়িত্বের বাইরেও হুমায়ুন কবির অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন দায়িত্বে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে তার এ অনুপস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের কাজ যাতে ব্যাহত না হয় এবং বৈদেশিক নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান ড. খলিলুর রহমান।

গত ২ জুন জাতিসংঘ সদর দপ্তরে গোপন ব্যালটে ড. খলিলুর রহমান সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিসকে ৯৯-৯১ ভোটে হারিয়ে ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তিনি নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন দেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন।

বাংলাদেশ সর্বশেষ ১৯৮৬-৮৭ সালে এ পদ পেয়েছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এ পদে দায়িত্ব পাওয়া এক বিশাল গৌরবের।

উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার রদবদলে হুমায়ুন কবিরকে টেকনোক্র্যাট হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়। শামা ওবায়েদ ইসলামও পদে বহাল থাকেন।

২৩ আগস্টের পরিপত্রে হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রী-১ এবং শামা ওবায়েদ ইসলামকে প্রতিমন্ত্রী-২ হিসেবে চিহ্নিত করে দায়িত্ব ভাগ করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বিষয়, অনিবাসী বাংলাদেশি সংক্রান্ত বিষয় এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী নির্ধারিত অন্যান্য বিষয়ে সহায়তা করবেন। নতুন পরিপত্র অনুযায়ী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিদেশে থাকাকালে তিনি মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক কার্যক্রম, জরুরি সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক বিষয়েও অতিরিক্ত ভূমিকা রাখবেন।

এদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম দেখবেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, মানবাধিকার, গবেষণা ও উদ্ভাবন, পরিবেশ ও জলবায়ু, সৃজনশীল অর্থনীতি, এলডিসি উত্তরণ, আইসিটি, সমুদ্র আইন, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য কূটনীতি এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কূটনীতি।