৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১১

‘রাজধানীর প্রধান সড়কে চলবে না ব্যাটারি রিকশা, নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা চূড়ান্ত’

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম  © সংগৃহীত

রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি জানান, ঢাকা শহরের মূল সড়কে এসব যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না। এদের চলাচলে আটটি জোন ভাগ করে ভেতরের বা অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোতে এগুলো চলাচলের সুযোগ দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার মধ্যে কেবল দুই ও চার যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ই-রিকশাকেই সিটি করপোরেশনের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। ছয়জনের ধারণক্ষমতার কোনো ই-রিকশা ঢাকার ভেতরে অনুমোদন পাবে না। তবে দুই, চার ও ছয় সিটের যানবাহনগুলো জেলা শহর ও গ্রামীণ এলাকার রাস্তায় চলাচলের জন্য রেজিস্ট্রেশন পাবে। সে ক্ষেত্রে বুয়েট বা স্বীকৃত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফায়েড ডিজাইন অনুযায়ী যানবাহন প্রস্তুত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নীতিমালার প্রস্তুতি একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি বর্তমানে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রক্রিয়াধীন। আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভেটিং শেষ হয়ে আসার এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নীতিমালা প্রকাশ করা হবে। আইন ও নীতিমালার মাধ্যমে দ্রুতই ইলেকট্রিক রিকশাগুলোকে একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এদিকে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ান হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৈঠকের সার্বিক বিষয় গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৈঠকের বিষয়ে তিনি জানান, মালয়েশিয়ার মতো বাংলাদেশেও সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে ‘পলিমার মডিফাই বিটুমিন’ বা রাবারাইজড বিটুমিন ব্যবহারের প্রযুক্তিতে কারিগরি সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে দেশটি। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের পরও মালয়েশিয়ার রাস্তা নষ্ট না হওয়ার পেছনে এই রাবার কার্পেটিং প্রযুক্তি কাজ করে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (EV) খাতে মালয়েশিয়া থেকে বিনিয়োগের বিষয়েও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে বলে প্রতিমন্ত্রী নিশ্চিত করেন।