২৫ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৭

মাসে ৯০ হাজার টাকার ভাতাসহ যে সব সুযোগ সুবিধা পাবেন চুপ্পু

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু  © সংগৃহীত

পদত্যাগ করলেও রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা, আনুতোষিক ও অন্যান্য সুবিধা আইন, ২০১৬ অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজীবন পেনশন, মন্ত্রীর সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধা, পার্সোনাল স্টাফ, বিশেষ নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক পাসপোর্টসহ নানা রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

আইন অনুযায়ী এসব সুবিধা পাওয়ার জন্য ন্যূনতম ছয় মাস পদে থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন তিন বছর তিন মাসেরও বেশি সময় বঙ্গভবনে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাষ্ট্রপতির বর্তমান মূল বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। সেই অনুযায়ী সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি বেতনের ৭৫ শতাংশ অর্থাৎ মাসে ৯০ হাজার টাকা পেনশন পাবেন। ভবিষ্যতে এই পদের বেতন বৃদ্ধি পেলে তাঁর পেনশনের পরিমাণও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়বে। তবে তিনি চাইলে অবসরের এক মাসের মধ্যে আবেদন করে মাসিক পেনশনের পরিবর্তে এককালীন অর্থ (আনুতোষিক) গ্রহণ করতে পারবেন। কর্মজীবনে তিনি বিচার বিভাগে (জেলা জজ) দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে আইনি নিয়ম অনুযায়ী যেকোনো একটি ক্ষেত্র থেকে তিনি পেনশন সুবিধা বেছে নিতে পারবেন। সাবেক রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী দুই-তৃতীয়াংশ পরিবার পেনশন সুবিধা পাবেন।

আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, দপ্তর পরিচালনা ও দাপ্তরিক কাজের সুবিধার্থে তিনি একজন ব্যক্তিগত সহকারী, একজন অ্যাটেন্ড্যান্ট এবং অফিস পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি বরাদ্দ পাবেন। এ ছাড়া সাবেক রাষ্ট্রপতি ও তাঁর স্ত্রী একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধা পাবেন, যার অধীনে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসার শতভাগ ব্যয়ভার বহন করবে সরকার।

অন্যান্য সুবিধার মধ্যে তিনি ও তার স্ত্রী আজীবন লাল (কূটনৈতিক) পাসপোর্ট ব্যবহারের অধিকারী হবেন। পাশাপাশি সরকারি কাজে যাতায়াতের সময় বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার, সরকারি রেস্ট হাউস বা সার্কিট হাউসে ফ্রিতে অবস্থান এবং নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত সরকারি খরচে বাসভবনে টেলিফোন ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

তবে ভবিষ্যতে তিনি যদি নতুন কোনো লাভজনক সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হন কিংবা আদালতের মাধ্যমে নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন, তবে এসব অবসর সুবিধা বাতিল হয়ে যেতে পারে।