২৩ জুলাই ২০২৬, ১৪:৩৪

কক্সবাজারকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী  © সংগৃহীত

কক্সবাজারকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিতে হতে পারে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘সেখানে ব্লু ইকোনমিসহ সি রিসোর্সেস এক্সপ্লোরেশন-এর জন্য যে সব ইনস্টিটিউশনগুলো আনা দরকার, সেগুলো বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রতিস্থাপন করা হবে। এছাড়া আরো অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আমরা আলোচনা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে কক্সেসবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে সভা শেষে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ডিপ সি পোর্ট, ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ফুল সুইংয়ে শুরু হলে এখানে অনেক ইনভেস্টমেন্ট আসবে দেশি-বিদেশি। সেগুলো আমরা এক্সপ্লোরেশনের জন্য চেষ্টা করব, যাতে করে বাংলাদেশে একটা ইন্টারন্যাশনাল এবং রিজিওনাল টুরিজমের হাব কমার্শিয়াল হাব এবং রেভিনিউ আর্নিং এর জন্য বাংলাদেশে একটা উপযুক্ত স্থান হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য অর্থমন্ত্রীকে সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি এ কমিটির সভাপতি। কক্সবাজারের সংসদ সদস্যরা এতে অংশগ্রহণ করেছেন। এ সময় পর্যটন, পরিবেশ, গণপূর্ত, ভূমি মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরাও ছিলেন।

সভায় মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যে মাস্টার প্ল্যানটা আমাদের গ্রহণ করতে হবে, ফাইনালাইজ করতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে কক্সবাজারকে একটি পর্যটন হাব, রিজিওনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল হাব হিসেবে এবং ক্ষেত্রবিশেষে কমার্শিয়াল হাব হিসেবে পরিণত করা। এখানে পরিবেশবান্ধব ইকো ট্যুরিজমের এলাকা নির্ধারণ করা থাকবে।’ 

আরও পড়ুন: ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য সরকারের: প্রধানমন্ত্রী

মেরিন ড্রাইভ রোডের সংশ্লিষ্ট সব এলাকায় যে সব ইকোলজিক্যাল যে ক্রিটিক্যাল এরিয়া ডিক্লেয়ার করা হয়েছে তার ভিত্তিগুলো পুনর্বিবেচনা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এগুলো কিসের ভিত্তিতে করা হয়েছে আমরা জানি না। যে কারণে ট্যুরিজমটা ফ্লোরিশ করছে না, এ কারণে বিনিয়োগ হচ্ছে না। ১০০ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতে কীভাবে ন্যাশনাল অগ্রগতি ও রেভিনিউ আর্নিংয়ের জন্য বানাতে পারি, ইন্টারন্যাশনাল এবং রিজিওনাল পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, সেজন্য সামগ্রিক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পুরো বিষয়টা হচ্ছে আমাদের যে ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির টার্গেট করেছি, কক্সবাজার হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম একটি গ্রোথ হাউস। আপনার গ্রোথ সেন্টার হিসেবে কন্ট্রিবিউট করবে এই ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমিতে। কক্সবাজারের ইকোনমি, সার্বিক উন্নয়ন এই ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমিতে একটা বড় ধরনের অবদান রাখবে।’