০২ জুলাই ২০২৬, ১২:২৮

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, এনবিআরের চেয়ারম্যান ও বিডাকে নতুন দায়িত্ব দিল সরকার

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা  © সংগৃহীত ও টিডিসি সম্পাদিত

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত দিকনির্দেশনা আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা।

নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী পরিষদের সভাপতি এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে গত ২১ জুন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীকে সভাপতি করে ২২ সদস্যবিশিষ্ট জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। তবে নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে পুনর্গঠিত ২৪ সদস্যের পরিষদ গঠন করা হয়েছে। নতুন এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ থাকবে।

পুনর্গঠিত পরিষদে সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান, অর্থ বিভাগের সচিব, এনবিআরের চেয়ারম্যান, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, খাদ্য, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবরা।

এ ছাড়া সদস্য হিসেবে থাকবেন ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি ও রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির সভাপতি।

আরও পড়ুন: কারাগারে কেমন আছে আলোচিত সেই ঐশী?

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, দেশের চাহিদা অনুযায়ী ঔষধ উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা প্রণয়ন ও প্রতি দুই বছর পরপর তা হালনাগাদ, ঔষধ ও কাঁচামাল আমদানি, উৎপাদন এবং রপ্তানি–সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেবে।

এ ছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা এবং ঔষধ উৎপাদন, আমদানি, বিতরণ ও বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সমন্বয় সাধনের পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্বও পালন করবে পরিষদ।