২৯ জুন ২০২৬, ০৯:০৮

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল অপরাধ দমনে সংসদে নতুন সংশোধনী বিল উত্থাপন

‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ শীর্ষক বিল সংসদে উত্থাপন  © সংগৃহীত

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ দমনে বিদ্যমান আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে রোববার (২৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম কার্যদিবসে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ শীর্ষক বিল সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬ বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের পাবলিক পরীক্ষায় নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রায় ৪৫ বছর আগের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) অ্যাক্ট, ১৯৮০’  প্রণীত হয়। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়। 

পাবলিক পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষা সংক্রান্ত অপরাধ এবং এর দণ্ড আইনের আওতায় আনয়নের উদ্দেশ্যে বিদ্যমান আইনের সংশোধন জরুরি ভিত্তিতে আবশ্যক।

এর আগে গত ২ এপ্রিল মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন করা হয়। ওই বৈঠকের নির্দেশনার আলোকে খসড়া সংযোজন/বিয়োজন এবং পরিমার্জন করা হয়। খসড়া আইনটি গত ২৮ এপ্রিল লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হলে তারা গত ৭ মে আইনটি ভেটিং করে পাঠায়। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনের কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধন করে আবার ভেটিং সম্পন্ন করে গত ১৮ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। গত ৪ জুন মন্ত্রিসভা বৈঠকে আইনটি সংশোধনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা মোতাবেক আইনটি সংশোধন করে পুনরায় ভেটিং সম্পন্ন করে রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর রুল ১৬ (i) অনুযায়ী মন্ত্রিসভার বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য গত ১০ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। এরপর গত ১৮ জুন সংশোধন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা-বৈঠকে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়।